
বারাসত: বিধানসভা নির্বাচনে হেরেছে তৃণমূল। দলের নেতা-নেত্রীদের নিয়ে নানা রকমের কানাঘুষো শোনা গেলেও, এখনও পর্যন্ত কেউ ইস্তফা দেয়নি। বারাসতের সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার (Kakali Ghosh Dastidar) প্রথম দলীয় পদে ইস্তফা দেওয়ার চিঠি পাঠালেন সুব্রত বক্সীকে। সেই চিঠিতেই দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে দিলেন পরামর্শ। নাম না করে ভোটকুশলী সংস্থা আইপ্যাক (IPAC)-র বিরুদ্ধেও ক্ষোভ উগরে দিলেন তিনি।
উত্তর ২৪ পরগনার দলীয় সভাপতি পদে ইস্তফা দিয়েছেন তিনি। সেই চিঠিতে তিনি লিখেছেন, “নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে আবেদন, আপনি বিগত দিনের মতো সৎ, নিষ্ঠাবান পুরনো কর্মীদের নিয়ে কাজ করলে দলের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল হবে মনে হয়। ভুঁইফোঁড় সংস্থা দিয়ে কঠিন কাজ হয় বলে মনে হয় না।”
শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে কথা বলেছেন কি না, প্রশ্ন করা হলে কাকলি বলেন, “কথা বলিনি, কারণ ওঁকে ফোনে-টোনে পাওয়া যায় না। উনি ব্যস্ত থাকেন। খুব ব্যস্ত থাকেন। তাই কয়েক বছর ধরে ফোনে পাওয়া যায় না।”
কাকলি বলেন, “সর্বনাশ করার মূলে যদি কেউ থাকে, তাহলে তারা ওই সংস্থা। ওই সংস্থার বাচ্চা ছেলেমেয়েরা কর্মীদের কীভাবে হেনস্থা করেছে, গালমন্দ করেছে। ওঁদের চালিত পথ নিশ্চয় সঠিক ছিল না। তিনি আরও বলেন, হঠাৎ ভুঁইফোড় সংস্থা এসে ধমক দিত। ২১-২২ বছরের মেয়ে আমাকে ধমকে যাচ্ছে। ওরা জানে না, কার সঙ্গে কথা বলছে।” কী করলে টিকিট পাওয়া যাবে সেটা ওই সংস্থার কর্মীরা বলে দিতেন বলে দাবি কাকলির।
এছাড়াও কাকলির অভিযোগ, ভোটের ফল প্রকাশের পর তাঁর বাড়ির গেট পর্যন্ত জবরদখল করার জন্য কিছু লোক এসেছিল তাঁর বাড়ি সামনে। তার মধ্যে তৃণমূলের লোক ছিল বলেও দাবি করেছেন তিনি।