
রণজিৎ ধর ও দীপঙ্কর দাসের রিপোর্ট
বাঁকড়া: পরপর অগ্নিকাণ্ড। প্রথমে তারাপীঠের হোটেলে অগ্নিকাণ্ড (Tarapith Fire)। তারপর কলকাতায় মির্জা গালিব স্ট্রিটে একটি হোটেলে (Kolkata Hotel Fire) আগুন লেগে ৯ জনের মৃত্যু হয়। সেই রেশ কাটতে না কাটতেই এবার বিমানবন্দরের কাছে যশোর রোডে একটি গাড়ির শো রুমে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড। রবিবার রাতে আগুন লাগে। ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দমকলের আটটি ইঞ্জিন। বেশ কয়েক ঘণ্টার চেষ্টায় ইতিমধ্যেই আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছে। তবে, অন্তত ২৫টি গাড়ি পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছে বলে খবর।
ভোররাত ৪টে থেকে ৪টে ২০ মিনিট নাগাদ যশোর রোডের কাছে বাঁকড়ায় একটি গাড়ির শোরুমে আগুন লাগে। দাউদাউ করে জ্বলতে শুরু করে গোটা শোরুম। দাহ্য পদার্থ থাকায় দ্রুত আগুন ছড়িয়ে পড়ে শো-রুমের দু’টি তলাতেই। প্রথমে দমকলের ৫টি ইঞ্জিন পৌঁছয় ঘটনাস্থলে। পরে আরও তিনটি ইঞ্জিন অর্থাৎ মোট আটটি ইঞ্জিন শোরুমের আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে, আগুনের তীব্রতা বেশি থাকায় পুড়ে ছাই হয়ে যায় বহু গাড়ি।
দমকল সূত্রে জানা গিয়েছে, শো-রুমের ভিতরে ২৫টি গাড়ি সম্পূর্ণ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তার মধ্যে বহু গাড়ি সার্ভিসিংয়ের জন্য রাখা ছিল। এছাড়া পাশের জমিতে থাকা ট্রাভেলার বাসও রয়েছে। এছাড়া, আশেপাশে আরও অনেক গাড়ি ছিল যা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারত। কী কারণে আগুন, এখনও জানা যায়নি। তবে, দমকল কর্মীদের প্রাথমিক অনুমান, শট সার্কিট থেকে আগুন লেগেছে।
স্থানীয় সূত্রে খবর, এর আগেও একবার আগুন লেগেছিল। তবে, তা অল্প সময়ের মধ্যেই নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছিল। কিন্তু বারবার কেন আগুন লাগছে? এই প্রসঙ্গে আবারও একটা প্রশ্ন উঠে আসছে। অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা কি আদৌ ঠিক ছিল? তার উপর এতগুলো গাড়ি একজায়গায় কেন রাখা হয়েছিল, সেই নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। দমকল দাবি করছে ভিতরে অগ্নি নির্বাপক ব্যবস্থা যথার্থ ছিল না। ফরেনসিক করে তদন্ত করা দরকার।