
কলকাতা: তোলাবাজি ও দুর্নীতির অভিযোগে একের পর এক তৃণমূল নেতা গ্রেফতার হয়েছেন। কেউ কেউ এই পরিস্থিতিতে ‘উধাও’ হয়ে গিয়েছিলেন। কোথাও কোনও পাত্তা পাওয়া যাচ্ছিল না। সেই তালিকাতেই নাম ছিল পানিহাটির প্রাক্তন বিধায়ক নির্মল ঘোষের (Nirmal Ghosh)। গত কয়েকদিন ধরে তাঁর খোঁজে পুলিশ তল্লাশি চালাচ্ছিল বলেও শোনা যায়। তাঁর পুত্র তথা ২০২৬-এর পানিহাটির তৃণমূল প্রার্থী তীর্থঙ্কর ঘোষেরও খোঁজ চলছিল। শনিবার সন্ধ্যায় সেই নির্মল হাজির ক্যামেরার সামনে। লুকিয়ে-চুরিয়ে নয়, গাড়ি থেকে নেমে সদর্পে হেঁটে গেলেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়দের বৈঠকে।
তোলাবাজির অভিযোগে পানিহাটির এক বড় বার ও হোটেলের মালিক সুশান্ত সরকারকে গ্রেফতার করেছে খড়দহ থানার পুলিশ। এরপর থেকেই প্রাক্তন বিধায়ক এবং বিধানসভার প্রাক্তন মুখ্যসচেতক নির্মল ঘোষের খোঁজ চলছিল। কেউ কেউ বলছিলেন, গা ঢাকা দিয়েছেন নির্মল। এমনকী ফোন ট্র্যাক করেও খোঁজ চলছিল নির্মলের। এদিন সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে বললেন, ‘গা ঢাকা? কে বলেছে?’
এদিন সকাল গাড়ি থেকে নেমে যখন নির্মল ঘোষ বৈঠকে প্রবেশ করছেন, তাঁকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, “হৃদয় তো এখনও মমতার সঙ্গেই আছে। অভিষেকের কথা বলতে পারছি না।” তীর্থঙ্করের বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, “এই রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে কে কোথায় আছে, তা বলা মুস্কিল।”
আরজি করকাণ্ডে নির্যাতিতার দেহ দ্রুত দাহ করার অভিযোগ উঠেছিল নির্মল ঘোষের বিরুদ্ধে। তাঁর ছেলে তীর্থঙ্কর বিজেপি প্রার্থী রত্না দেবনাথের কাছে পরাজিত হন। ভোটে পরাজয়ের পর থেকে তোলাবাজির অভিযোগে পিতা-পুত্রকে খুঁজছিল পুলিশ।