
সন্দেশখালি: সন্দেশখালি থেকে বিক্ষোভের আগুন ছড়িয়েছে গোটা বসিরহাট জুড়ে। রাজ রাজ্যনীতি তোলপাড় হচ্ছে সন্দেশখালি ইস্যুতে। আদালতে ভর্ৎসনার মুখে পড়ছে রাজ্য। যে সব ভয়ঙ্কর অভিযোগ সামনে এসেছে, তা গুরুত্ব দিয়ে দেখার কথা বলছেন বিচারপতি। কিন্তু মানুষ যে শাসক দলের সঙ্গে আছে, তা প্রমাণ করতে মরিয়া তৃণমূল। ১৪৪ ধারা উঠে যাওয়ার পরই এবার সভা করার কথা ঘোষণা করল ঘাসফুল শিবির। সন্দেশখালিতেই হবে তৃণমূলের মেগা সভা। উপস্থিত থাকবেন রাজ্য়ের ৬ মন্ত্রী। মঙ্গলবারই সন্দেশখালিতে গিয়ে এই জনসভার কথা ঘোষণা করলেন সেচমন্ত্রী পার্থ ভৌমিক।
আগামী ১৮ ফেব্রুয়ারি, রবিবার সন্দেশখালি গ্রামেই জনসভা হবে বলে ঘোষণা করেছেন মন্ত্রী। সকাল ১১ টায় সভা হওয়ার কথা জানিয়েছেন তিনি। উপস্থিত থাকবেন পরিষদীয় মন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়, অর্থ মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু, দমকল মন্ত্রী সুজিত বসু ও খাদ্য মন্ত্রী রথীন ঘোষ। এছাড়া থাকবেন দলের বিধায়ক তাপস রায়, থাকবেন মন্ত্রী পার্থ ভৌমিক নিজেও।
প্রত্যেকে যাতে অংশ নেন, সেই বার্তা দিয়ে পার্থ ভৌমিক বলেন, ‘বিজেপি মিথ্যা প্রচার বিজেপি করছে, মাটির কথা সেগুলো নয়। সেটাই দেখিয়ে দেওয়ার দিন।’ কর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘ওই দিন মা বোনদের সামনের সারিতে আনবেন। আমরা প্রমাণ করে দেব মায়ের সম্মান কখনও নষ্ট হয় না মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজ্যে। যাঁরা মায়েদের অসম্মান করে তৃণমূলে তাঁদের কোনও জায়াগা নেই। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মায়েদের সবার আগে রাখে।’
মঙ্গলবার দুপুরেই কলকাতা হাইকোর্ট সন্দেশখালি থেকে ১৪৪ ধারা তুলে দেওয়ার নির্দেশ দেয়। এরপরই ওই এলাকায় পৌঁছয় তৃণমূলের প্রতিনিধিদল। দলীয় কর্মীদের সঙ্গে বৈঠক করেন পার্থ ভৌমিক। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন তিনি।