
ব্যারাকপুর: তিলোত্তমা কাণ্ডে জেল হেফাজত প্রাক্তন বিধায়ক নির্মল ঘোষের। তাঁকে ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে ব্যারাকপুর আদালত। এদিকে, তিলোত্তমা কাণ্ডের সঙ্গে আরও একটি মামলা যুক্ত হয়েছে। লটারি প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে নির্মল ঘোষের বিরুদ্ধে। সেই মামলাতেও নির্মলকে আট দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে ব্যারাকপুর আদালত।
তিলোত্তমা কাণ্ডে বৃহস্পতিবার পুরী থেকে গ্রেফতার করা হয় নির্মল ঘোষকে। আজ, তাঁকে ব্যারাকপুর আদালতে পেশ করা হয়। তিলোত্তমার সঙ্গে যুক্ত করা হয় আরও একটি লটারি প্রতারণা। আদালত সূত্রে জানা গিয়েছে, লটারিতে প্রথম পুরস্কার হিসেবে এক কোটি টাকা পেয়েছিলেন এক পানশালার মালিকের গাড়ির ড্রাইভার। বিষয়টি মালিককে জানাতেই, তিনি ওই ড্রাইভারকে সোজা নিয়ে যান নির্মল ঘোষের কাছে। অভিযোগ, সেখানে তাঁর লটারির টাকা কেড়ে নেওয়া হয়। ২০২৪ সালে অভিযোগ দায়ের করার চেষ্টা করা হলে পুলিশ কর্ণপাত করেননি বলে অভিযোগ। ২০২৬ সালে সরকার বদলের পর তিনি অভিযোগ করেন। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেও এদিন নির্মল ঘোষকে আদালতে পেশ করা হয়। তিলোত্তমার মামলায় যুক্ত করা হয় লটারি প্রতারণা মামলা। তাতেই আট দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দেওয়া হয়।
অন্যদিকে, তিলোত্তমার দেহ পুড়িয়ে দেওয়ার ৯টি জামিনযোগ্য ধারায় মামলা করা হয়েছে। এই মামলায় নির্মলের জামিনের আবেদন করেন নির্মলের আইনজীবী। বিচারককে জানান, নির্মলের বয়স ৭৮। অসুস্থ। চিকিৎসার প্রয়োজন। জামিন দেওয়া হোক। কিন্তু, শেষপর্যন্ত ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দেওয়া হয়।
অন্যদিকে, তিলোত্তমা মামলাতে সঞ্জীব মুখোপাধ্যায়কেও ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে তোলাবাজি মামলাতে তাঁকে ৭ দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে ব্যারাকপুর আদালত।