
কুলতলি: চিৎকারটা আসছিল বেশ কিছুক্ষণ ধরে। কানেও গিয়েছিল প্রতিবেশীদের। একজন ছুটেও গিয়েছিলেন। কিন্তু, বাড়ির সদর দরজায় তালা। বাধা পেয়ে পাঁচিল টপকে ভিতরে দেখতেই চোখ কপালে উঠে যায়। দেখা যায়, ভিতরে উলঙ্গ অবস্থায় শুয়ে চিৎকার করছে পাড়ারই এক মেয়ে। সে আবার বিশেষ ক্ষমতা সম্পন্ন। ঘরের মধ্য়েই রয়েছেন পাড়ার এক ব্যক্তি। দৃশ্য দেখে বুঝতে অসুবিধা হয়নি ওই ব্যক্তি আদপে কী করছিলেন। মুহূর্তেই পাড়ার অন্যান্যরা ছুটে এসে ওই ব্যক্তিকে ধরে ফেলেন। বেধড়ক মারধরও করা হয়।
চাঞ্চল্যকর এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সকাল থেকেই তপ্ত এলাকা। অভিযুক্ত ও নির্যাতিতা দুজনেরই বাড়ি কুলতলি থানা এলাকায়। নাবালিকা ধর্ষণের অভিযোগে ইতিমধ্যেই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে কুলতলি থানার পুলিশ। রুজু হয়েছে মামলা। উদ্ধার করা হয়েছে নির্যাতিতাকে।
সূত্রের খবর, অভিযুক্ত ব্যক্তি আবার সম্পর্কে নাবালিকার পাড়াতুতো কাকা। কিন্তু, সেই কাকাই যে শেষ পর্যন্ত এই কাজ করতে পারেন তা ভাবতে পারছেন না পরিবারের সদস্যরা। ঘটনায় ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন প্রতিবেশীরাও। পরিবার সূত্রে খবর, যে সময় এই ঘটনা ঘটে তখন নাবালিকার বাবা ও মা বাইরে ছিলেন। দিদি গিয়েছিলেন ব্যাঙ্কে। বাড়ি ফাঁকা থাকার সুযোগেই হানা দেয় ‘কাকা’। ঘটনায় নির্যাতিতার দিদি বলছেন, “আমরা ওর শাস্তি চাই। আজকে আমার বোনের সঙ্গে এ কাজ করেছে। আগামীতে আরও পাঁচটা মেয়েরও ক্ষতি করতে পারে।”