Mysterious Fire: কেউ নেই, বন্ধ ঘরে এদিক-ওদিকে লেগে যাচ্ছে আগুন, কুণ্ডলী পাকিয়ে উঠছে ধোঁয়া! আতঙ্কে কাটা মণ্ডল পরিবার, কী হচ্ছে এই বাড়িতে?

Paschim Medinipur: গোটা ঘটনায় আতঙ্কে উৎপল মণ্ডলের পরিবার। আতঙ্ক ছড়িয়েছে সারা গ্রামে। বাড়ির মধ্যে ভূতের ভয়ে সিঁটিয়ে সবাই। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, ভূত বা অলৌকিক শক্তি ছাড়া এমন বন্ধ ঘরে আগুন লাগা সম্ভব নয়। কারণ বাড়ির ওই অংশের বিদ্যুৎ সংযোগও বিচ্ছিন্ন।

Mysterious Fire: কেউ নেই, বন্ধ ঘরে এদিক-ওদিকে লেগে যাচ্ছে আগুন, কুণ্ডলী পাকিয়ে উঠছে ধোঁয়া! আতঙ্কে কাটা মণ্ডল পরিবার, কী হচ্ছে এই বাড়িতে?
এই বাড়িতেই আচমকা আগুন লেগে যাচ্ছে।Image Credit source: TV9 বাংলা

| Edited By: ঈপ্সা চ্যাটার্জী

Aug 09, 2026 | 11:59 AM

পশ্চিম মেদিনীপুর: বন্ধ ঘর। বাইরে থেকে তালা মারা। এদিকে ঘরের ভিতরে নাকি জ্বলছে আগুন। সেই আগুনে পুড়ে ছাই-ও হয়ে যাচ্ছে। অথচ ঘরের ভিতরে কেউ নেই! অদ্ভুতুড়ে এই ঘটনাতেই আতঙ্ক ছড়িয়েছে দাসপুরের বৈকুণ্ঠপুরে।  ভূতের কারসাজি নাকি অন্য কারোর রয়েছে এর পিছনে? তদন্তে ফায়ার ব্রিগেড ও বিজ্ঞান মঞ্চ। ঘটনায় শোরগোল পড়েছে এলাকায়।

ফাঁকা বাড়িতে ঘরের এদিক-ওদিকে জ্বলে উঠছে আগুন। শুক্রবার রাত থেকে ঘটনাকে ঘিরে আতঙ্কে ওই বাড়িতে থাকা পরিবার।  আতঙ্কিত পাড়া-প্রতিবেশীরা ও। ইতিমধ্যেই ঘটনাস্থলে এসেছে পুলিশ ও দমকল। তবে আগুনের উৎস খুঁজতে কালঘাম ছুটছে ফায়ার ব্রিগেডের।

দাসপুর থানার অধীনে বাসুদেবপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের বৈকুণ্ঠপুর গ্রামে  শ্যালক-ভগ্নীপতি মিলে যৌথ বাড়ি তৈরি করেছে। গৌর সামন্ত নামক এক ব্যক্তি তাঁর দুই শ্যালকের সঙ্গে যৌথভাবে ওই প্লটটি প্রায় বছর কুড়ি আগে কেনেন। পরে একসঙ্গেই বসতবাড়ি করে পৃথকভাবে বসবাস শুরু করেন।  কর্মসূত্রে জামাই গৌর সামন্ত ও এক শ্যালক অনুপ মণ্ডল পরিবার নিয়ে ভিন রাজ্যে থাকেন। আর এক শ্যালক উৎপল মণ্ডলের পরিবার এই বাড়িতেই তাঁর অংশে বসবাস করেন।

আজ প্রায় দু’দিন ধরে মাঝে-মধ্যেই গৌর সামন্তের অংশের একের পর এক বেডরুমে আগুন লেগে যাচ্ছে। বন্ধ ঘরে আগুন! তারা অনেক পরে ধোঁয়ার কুণ্ডলী দেখতে পান। যতক্ষণে দরজা খোলেন, ততক্ষণে পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছে ঘরের মধ্যে সমস্ত আসবাব, বিছানা, সোফা-সবই।

গোটা ঘটনায় আতঙ্কে উৎপল মণ্ডলের পরিবার। আতঙ্ক ছড়িয়েছে সারা গ্রামে। বাড়ির মধ্যে ভূতের ভয়ে সিঁটিয়ে সবাই। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, ভূত বা অলৌকিক শক্তি ছাড়া এমন বন্ধ ঘরে আগুন লাগা সম্ভব নয়। কারণ বাড়ির ওই অংশের বিদ্যুৎ সংযোগও বিচ্ছিন্ন।

চারিদিকে ঝোপঝাড়-জঙ্গলের মাঝে আলো-আঁধারি পরিবেশে এই শ্যালক-ভগ্নীপতিদের বসতবাড়িতে এলে এমনিতেই গা ছমছম করে। বাড়ির দেওয়ালে নানা চিহ্ন আঁকা। সেই চিহ্নে হাত দিলেই নাকি বিপদ। এমন পরিবেশে কীভাবে থাকবেন উৎপলের পরিবার? তাঁর স্ত্রীও আতঙ্কে। কিন্তু তাঁদের যাওয়ারও কোনও জায়গা নেই।

ঘটনার তদন্তে নেমেছেন দমকলের আধিকারিকরা। খতিয়ে দেখছেন আগুনের উৎস। এক আধিকারিক বলেন, “এই আগুন লেগে যাওয়া স্বাভাবিক নয়। উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে সম্ভবত আগুন লাগানো হতে পারে। তবে বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। এখনই প্রকাশ্যে কিছু বলছি না।”

রাতেই ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পশ্চিমবঙ্গ বিজ্ঞান মঞ্চের একটি টিম। অলৌকিক ঘটনা, ভূতের হাত আছে—এইসব আজগুবি গল্প মানতে তারা নারাজ।

এদিকে, বাসুদেবপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান প্রশান্ত হড়ের বক্তব্য, তিন শরিকের বিবাদ থেকেই এমন কিছু হতে পারে।

Loading...
Unable to load recommendations.
Follow Us