
জেলায় জেলায় পৌঁছে গিয়েছে ‘পুজোয় পালস’-র ট্য়াবলো। রবিবার একই সঙ্গে খড়্গপুর ও কৃষ্ণনগরের নানা জায়গায় পৌঁছে গিয়েছে ট্য়াবলো। ক্যান্ডির ‘পাহাড়’ দেখে মন খুশি পথচারিদের।
আর তার সঙ্গে ঢাকের শব্দ মন মাতিয়েছে সাধারণের। পুজো যে এসে গিয়েছে, তাতে আর কোনও দ্বিমত নেই। সপ্তাহ পেরলেই মহালয়া।
পুজোর আবহে এসে গিয়েছে পালসও। দ্বিতীয় বছরের সাফল্যের পর তৃতীয় বছরে পুজোয় নতুন রূপ পালসের। চলতি বছরে সাধারণের জন্য পালসের নতুন ‘উপহার’, পালস গোলমোল। যা ফিরিয়ে দেবে একেবারে ‘ছোটবেলার স্বাদ’।
টক-মিষ্টি, তেঁতুলের স্বাদের এই নতুন ক্য়ান্ডি খেয়ে মানুষ কী বলছেন? খড়্গপুরবাসীর মন মজেছে নতুন পালসে। এক পথচারি বললেন, খাওয়ার পর পালস খেতে বেশ ভালই লাগে।
একটা নুনের স্বাদ। আর এবারেরটা তো আরও ভাল। অন্য আরেক জনও বললেন একই কথা। এই চকোলেটটা আগের চেয়েও বেশি ভাল খেতে। তবে শুধুই খড়্গপুরবাসী নয়।
পালসের নতুন ক্যান্ডিতে মন মজেছে কৃষ্ণনগরবাসীরও। সেখানে পৌঁছে গিয়েছে পুজোয় পালসের ট্য়াবলো। যা দেখতে ভিড় জমিয়েছেন পথচারিরা।
এদিন এক পথচারি বললেন, ‘ট্যাবলোটা দেখে বেশ ভালই লাগছিল। তাই এগিয়ে গিয়েছিলাম। দেখি ওদের নতুন একটা প্রোডাক্ট এসেছে।
চেখে দেখলাম। বেশ ভাল। একটা টক-মিষ্টি স্বাদ রয়েছে। খুব ভাল খেতে।’ অন্য় আরেক জন বললেন, ‘পালস আগেও খেয়েছি, তবে এটা একেবারে অন্যরকম