Burdwan: আলুর দমের সঙ্গে নরম মুড়ি, জমিয়ে চলছে খাওয়া দাওয়া! জমাটি আড্ডায় ঢুকে পড়ল পুলিশও… তারপরের ঘটনা অবাক করা মতন

Burdwan: পুলিশের আপত্তিতে শেষ পর্যন্ত অবশ্য তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মী সমর্থকরা পিছু হটে। তাঁদের দাবি, এখানে ভোট গ্রহণ হচ্ছে একেবারে শান্তিপূর্ণভাবে। প্রতিবারেই ভোটের সময় আমাদের এখানে খাওয়াদাওয়া ব্যবস্থা করা হয় বলে জানান তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মী সমর্থকরা।

Burdwan: আলুর দমের সঙ্গে নরম মুড়ি, জমিয়ে চলছে খাওয়া দাওয়া! জমাটি আড্ডায় ঢুকে পড়ল পুলিশও... তারপরের ঘটনা অবাক করা মতন
চলছিল মুড়ি-আলুর দমের আড্ডাImage Credit source: TV9 Bangla

| Edited By: শর্মিষ্ঠা চক্রবর্তী

May 13, 2024 | 11:22 AM

পূর্ব বর্ধমান:  জমিয়ে চলছিল খাওয়াদাওয়া। গরম আলুদমের সঙ্গে নরমুড়ি। কিন্তু বাদ সাধল পুলিশ। কমিশনের নির্দেশিকাকে অমান্য করে বুথের ১০০ মিটারের মধ্যে বুথ ক্যাম্প ও রান্নাবান্নার আসর বসিয়েছিল শাসক দলের কর্মী সমর্থকরা। পুলিশ গিয়ে তাদের সরিয়ে দেয়। পূর্ব বর্ধমানের মেমারির নিমো এসএসকে ভোটগ্রহণ কেন্দ্রের ১৩৬ নম্বর বুথে ১০০ মিটারের মধ্যে তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মী সমর্থকরা বুথ ক্যাম্প বসিয়েছিল। সঙ্গে ছিল মুড়ি আলুর দম। পুলিশের আপত্তিতে শেষ পর্যন্ত অবশ্য তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মী সমর্থকরা পিছু হটে।  তবে কোথাও কোনও অশান্তির বিষয় নেই। পুলিশ বোঝাতেই বুঝে যান তৃণমূল কর্মীরাও। তাঁরা নিজে থেকেই সরে যান।

তাঁদের দাবি, এখানে ভোট গ্রহণ হচ্ছে একেবারে শান্তিপূর্ণভাবে। প্রতিবারেই ভোটের সময় আমাদের এখানে খাওয়াদাওয়া ব্যবস্থা করা হয় বলে জানান তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মী সমর্থকরা।

নির্বাচন কমিশনের নিয়ম অনুযায়ী, বুথের একশো মিটারের মধ্যে কোথাও কোনও জমায়েত করা যাবে না। কোনও দলের কর্মীরাও সেখানে ক্যাম্প অফিস রাখা যাবে না।

এক কর্মী বললেন, “আমাদের এলাকায় কোনও অশান্তি নেই। আমরা খুব শান্তিপূর্ণ ভাবেই ভোট করাচ্ছি। খাওয়াদাওয়ার ব্যবস্থা প্রতি বছরই করা হয়। প্রতি মানুষই খেয়ে যান। রাস্তায় যাঁরা যান, তাঁরাও খেয়ে যান। তবে এবার পুলিশ বারণ করল। আইন মেনে চলতে হবে, তাই এই নিয়ে বলার কিছু নেই।”

Follow Us