Purba Bardhaman: ফোনে প্রেমিকের সঙ্গে বাগবিতণ্ডা, পরে যুবতীকে দেখে আঁতকে উঠল পরিবার

Galsi young Woman Suicide Case: ছ'মাসের মধ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে বিয়ের দিন নির্ধারণ হওয়ার কথা ছিল। অভিযোগ, বৃহস্পতিবার রাতে ফোনে সুজয়ের সঙ্গে কোয়েলের বাগবিতণ্ডা হয়। এরপর গভীর রাতে বাড়ির মধ্যেই গলায় ফাঁস লাগিয়ে কোয়েল আত্মহত্যা করেন বলে পরিবারের দাবি।

Purba Bardhaman: ফোনে প্রেমিকের সঙ্গে বাগবিতণ্ডা, পরে যুবতীকে দেখে আঁতকে উঠল পরিবার
বিধায়কের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন মৃতার বাবাImage Credit source: TV9 Bangla

| Edited By: সঞ্জয় পাইকার

Aug 08, 2026 | 12:01 AM

গলসি: কয়েক বছরের সম্পর্ক। দুই পরিবারই তাঁদের সম্পর্ক মেনে নিয়েছিল। বিয়েও ঠিক হয়েছিল। তারই মধ্যে যুবতীর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হল। ঘটনাটি পূর্ব বর্ধমানের গলসির। শুক্রবার বাড়ির ভিতর থেকে ওই যুবতীর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়। মৃতার নাম কোয়েল আঁকুড়ে (১৯)। তিনি গলসি থানার কুতরুকি গ্রামের বাসিন্দা। মৃতার পরিবারের অভিযোগ, প্রেমিকের মানসিক নির্যাতনের জেরেই আত্মঘাতী হয়েছেন কোয়েল। অভিযুক্তের কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছে মৃতার পরিবার।

জানা গিয়েছে, বছর তিনেক ধরে আউশগ্রামের অমড়াগড়ের বাসিন্দা সুজয় বণিকের সঙ্গে কোয়েলের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। দুই পরিবারের সম্মতিতেই তাঁদের বিয়ে ঠিক হয়েছিল। এবং আগামী ছ’মাসের মধ্যেই আনুষ্ঠানিকভাবে বিয়ের দিনও নির্ধারণ হওয়ার কথা ছিল। অভিযোগ, বৃহস্পতিবার রাতে ফোনে সুজয়ের সঙ্গে কোয়েলের বাগবিতণ্ডা হয়। এরপর গভীর রাতে বাড়ির মধ্যেই গলায় ফাঁস লাগিয়ে কোয়েল আত্মহত্যা করেন বলে পরিবারের দাবি।

শুক্রবার ভোরে কোয়েলের ভাই ঘরের মধ্যে তাঁকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। সঙ্গে সঙ্গে গলসি থানায় খবর দেওয়া হয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়। পুলিশ জানিয়েছে, অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করে ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। আত্মহত্যার প্রকৃত কারণ এবং ঘটনার নেপথ্যে অন্য কোনও কারণ রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

এদিকে ঘটনার খবর পেয়ে গলসির বিজেপি বিধায়ক রাজু পাত্র গলসি থানায় গিয়ে মৃতার পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন। তিনি শেষকৃত্যের জন্য আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন এবং পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস দেন। পাশাপাশি দলের কর্মীদেরও প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করার নির্দেশ দেন।

মৃতার মামা হাবল আঁকুড়ে বলেন, “ভাগ্নি ওই ছেলেটার সঙ্গে প্রেম করত। আমরা মেনে নিয়েছিলাম। ছেলের বাড়ির সঙ্গে কথাও বলি। কিন্তু, এখন ছেলেটা মানসিক নির্যাতন করায় ভাগ্নি এমন করেছে। আমরা তার কঠোর শাস্তি চাই।” বিধায়কের কাছে কান্নায় ভেঙে পড়েন মৃতার বাবাও। ঘটনার তদন্ত করে দোষীর কঠোর শাস্তির দাবি জানান তিনিও। বিধায়ক তাঁকে আশ্বাস দেন, পুলিশ তদন্ত করে উপযুক্ত পদক্ষেপ করবে।

 

Loading...
Unable to load recommendations.
Follow Us