
কাটোয়া: খাসপুকুর দখল করে তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা মাছ চাষ করছে—এই অভিযোগ তুলে পুকুরে জাল ফেললেন বিজেপির নেত্রী। শুধু অভিযোগ তুলেই থেমে থাকলেন না, নিজে দাঁড়িয়ে থেকে বিজেপি কর্মীদের দিয়ে পুকুর থেকে প্রায় ৫০ কেজি মাছ তুললেন বিজেপির কাটোয়া সাংগঠনিক জেলার সহ-সভাপতি সীমা ভট্টাচার্য।
বিজেপি নেত্রীর দাবি, খাসপুকুরের মাছের অধিকার একমাত্র সরকারের। তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা রাতের অন্ধকারে পুকুর থেকে মাছ তুলে নিয়ে যাচ্ছে। তাই পুকুর থেকে তোলা মাছ বাজারে বিক্রি করে সেই টাকা বিডিও দফতরে জমা দেওয়া হবে। পাশাপাশি পুকুরগুলি পঞ্চায়েতের হাতে তুলে দেওয়ার কথাও জানান তিনি।
অভিযোগ, কাটোয়া থানার খাজুরডিহিপঞ্চায়েতের খাজুরডিহি গ্রামের একাধিক খাসপুকুর দখল করে মাছ চাষ করছিল তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা। এই অভিযোগ সামনে আসার পরই পুকুরের মাছ তুলে নেওয়ার উদ্যোগ নেয় বিজেপি। বিজেপির দাবি, ওই এলাকার বিজেপির বুথ সভাপতিকে রাখাল পুকুর থেকে মাছ তোলার নির্দেশ দিয়েছিলেন দলের কাটোয়া সাংগঠনিক জেলার সহ-সভাপতি সীমা ভট্টাচার্য।
কিন্তু মাছ তুলতে যাওয়ার পর কোনও এক অজ্ঞাত কারণে পুলিশ রাখালকে আটক করে বলে দাবি বিজেপির। এরপরই ঘটনাস্থলে পৌঁছে যান বিজেপি নেত্রী সীমা ভট্টাচার্য। তাঁর উপস্থিতিতেই বিজেপি কর্মীরা পুকুরে জাল ফেলেন। জাল টেনে পুকুর থেকে তোলা হয় সমস্ত মাছ। নেত্রীর দাবি, প্রায় ৫০ কেজি মাছ উদ্ধার হয়েছে ওই পুকুর থেকে।
বিজেপি নেত্রীর অভিযোগ, সরকারি খাসপুকুরে বেআইনিভাবে মাছ চাষ করছিল তৃণমূলের লোকজন। শুধু তাই নয়, রাতের অন্ধকারে পুকুর থেকে মাছ তুলে নেওয়া হচ্ছিল বলেও অভিযোগ তাঁর। তাঁর বক্তব্য, এই মাছ বিক্রি করে যে টাকা পাওয়া যাবে, তা বিডিও দফতরে জমা দেওয়া হবে। একইসঙ্গে পুকুরগুলির দায়িত্ব পঞ্চায়েতের হাতে তুলে দেওয়ার কথাও জানিয়েছেন তিনি।