
কাটোয়া: স্কুলের ঘরের মেঝেতে আচমকা ধস। একটা অংশ পুরো বসে গিয়েছে।গর্ত তৈরী হয়েছে। একইসঙ্গে এই ঘরের পাশে শিশুদের খেলার জায়গাতেও দেখা যাচ্ছে বড় ফাটল। যার ফলে আতঙ্ক ছড়িয়েছে দাঁইহাটের পাতাইহাট প্রাথমিক স্কুলে। বড়সড় দুর্ঘটনা না ঘটলেও আপাতত ব্যবহারের অযোগ্য হয়ে পড়েছে প্রধান শিক্ষকের এই ঘরটি। ইতিমধ্যেই ঘরটি তালাবন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
এই ঘটনার পর স্কুল পরিদর্শনে যান পরিদর্শক। কীভাবে মেঝেতে ধস নামল, তা নিয়ে শুরু হয়েছে খোঁজ খবর। দাইহাট শহরের পাতাইহাট প্রাথমিক স্কুলের প্রধান শিক্ষকের ঘরে আচমকাই নেমেছে এই ধস। মেঝের একাংশ পুরো বসে গিয়েছে। সেই মুহূর্তে প্রধান শিক্ষক ঘরে ছিলেন না। ফলে বড়সড় বিপদ এড়ানো গিয়েছে।
স্কুলের পিছনেই রয়েছে একটি পুকুর। অনুমান করা হচ্ছে, পুকুরের জলের টান কিংবা মাটির কোনও সমস্যার কারণেই মেঝের নীচের মাটি ধসে যেতে পারে। যদিও ঠিক কী কারণে এই ধস, তা এখনও স্পষ্ট নয়। ঘটনার পরেই ঘরটি তালাবন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। ওই ঘরের পাশের ভবনেও ফাটল দেখা দিয়েছে বলে দাবি স্কুল কর্তৃপক্ষের।
জানা গিয়েছে, পাতাইহাট প্রাথমিক স্কুলে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত পড়ানো হয়। স্কুলে মোট পড়ুয়ার সংখ্যা ১৩৯ জন। শিক্ষক রয়েছেন পাঁচজন। স্বাভাবিকভাবেই স্কুলের ছোট পড়ুয়াদের নিয়ে যথেষ্ট চিন্তিত স্কুল। অন্যদিকে, প্রধান শিক্ষকের ঘরটি তৈরি হয়েছিল ২০১২ সালে। মাত্র কয়েক বছর আগে তৈরি হওয়া ঘরের মেঝেতে কীভাবে এমন ধস নামল, তা নিয়েই প্রশ্ন উঠছে।
ঘটনার খবর পেয়ে বুধবার স্কুল পরিদর্শন করেন দাঁইহাট চক্রের স্কুল পরিদর্শক পিনাকী ঘোষ। তিনি স্কুল পরিদর্শন করে বিষয়টি নিয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে রিপোর্ট পাঠানো হবে জানিয়েছেন। স্কুলের এই বিপদজনক ঘরটি আপাতত তালাবন্ধ করে রাখা হয়েছে। শিশুদের যেতে দেওয়া হচ্ছেনা তাদের খেলার জায়গায়।অবিভাবকেরাও স্কুলের নিরাপত্তা নিয়েই উদ্বেগে রয়েছে।