Bardhaman: মা-বাবার বকাবকি খেয়ে বর্ধমান থেকে পালিয়ে সটান রাজস্থানে, সেখান থেকেই ধরে নিল পুলিশ

Bardhaman: মানব গুহ বলেন, "জিআরপির তৎপরতায় দুই ছাত্রীকে নিরাপদে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। তারা বড় বিপদের মুখে পড়তে পারত। বর্তমানে সোশ্যাল মিডিয়ার অতিরিক্ত প্রভাব অনেক কিশোর-কিশোরীকে ভুল পথে পরিচালিত করছে। এই বিষয়টি নিয়ে পরিবার ও সমাজ—উভয়কেই আরও সচেতন হতে হবে।"

Bardhaman: মা-বাবার বকাবকি খেয়ে বর্ধমান থেকে পালিয়ে সটান রাজস্থানে, সেখান থেকেই ধরে নিল পুলিশ
উদ্ধার দুই ছাত্রীImage Credit source: Tv9 Bangla

| Edited By: অবন্তিকা প্রামাণিক

Aug 02, 2026 | 4:29 PM

বর্ধমান: পড়াশোনা নিয়ে বকাবকি। বাড়ি ছেড়ে রাজস্থানে গেলেন দুই স্কুলছাত্রী। এক মাস পর তাঁর উদ্ধার করল বর্ধমান জিআরপি (GRP)। পড়াশোনা নিয়ে বাবা-মায়ের বকাবকির জেরে বাড়ি ছেড়ে কাজের খোঁজে রাজস্থানে পাড়ি দিয়েছিল নবম শ্রেণির দুই স্কুলছাত্রী। প্রায় এক মাস পর সিসিটিভি ফুটেজ, মোবাইল ফোনের লোকেশন এবং প্রযুক্তিগত তদন্তের সাহায্যে রাজস্থানের ফুলবাগ এলাকা থেকে তাদের উদ্ধার করল বর্ধমান জিআরপি। ঘটনায় এক যুবককে গ্রেফতার করা হয়েছে।

রেল পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, গত ১ জুলাই বর্ধমানের একটি স্কুলের পাঁচ ছাত্রী স্কুলে যাওয়ার উদ্দেশ্যে মেমারি থেকে ট্রেনে বর্ধমান গিয়েছিল। বর্ধমান স্টেশনে নেমে তিনজন স্কুলে গেলেও বাকি দুই ছাত্রী স্টেশনের শৌচাগারে গিয়ে স্কুলের পোশাক বদলে সাধারণ পোশাক পরে। এরপর তারা ফের ট্রেনে মেমারিতে ফিরে একটি সেকেণ্ড হ্যাণ্ড মোবাইল ফোন কেনে। তারপর বিহার হয়ে রাজস্থানে চলে যায় বলে তদন্তে জানা গিয়েছে।

পরিবারের সদস্যরা দীর্ঘ খোঁজাখুঁজির পর ১৬ জুলাই বর্ধমান থানায় নিখোঁজ ডায়েরি করেন। এরপর তদন্তে নামে বর্ধমান জিআরপি। স্টেশনের সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখা, মোবাইল নম্বর ট্র্যাকিং এবং অন্যান্য প্রযুক্তিগত তথ্যের ভিত্তিতে ৩১ জুলাই রাজস্থানের ফুলবাগ এলাকা থেকে দুই কিশোরীকে উদ্ধার করা হয়। রবিবার তাদের বর্ধমানে নিয়ে আসা হয়।

ঘটনার খবর পেয়ে বর্ধমান জিআরপি থানায় যান মেমারির বিধায়ক মানব গুহ। তিনি বলেন, প্রাথমিক তদন্তে এটি প্রেম বা অপহরণের ঘটনা বলে মনে হচ্ছে না। তাঁর দাবি, পড়াশোনার চেয়ে দুই ছাত্রী সোশ্যাল মিডিয়ায় বেশি সময় কাটাত। সেই কারণে পরিবারের বকাবকিতে তারা বাড়ি ছেড়ে বেরিয়ে পড়ে এবং বিহার হয়ে রাজস্থানে পৌঁছে যায়।

মানব গুহ বলেন, “জিআরপির তৎপরতায় দুই ছাত্রীকে নিরাপদে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। তারা বড় বিপদের মুখে পড়তে পারত। বর্তমানে সোশ্যাল মিডিয়ার অতিরিক্ত প্রভাব অনেক কিশোর-কিশোরীকে ভুল পথে পরিচালিত করছে। এই বিষয়টি নিয়ে পরিবার ও সমাজ—উভয়কেই আরও সচেতন হতে হবে।”

Loading...
Unable to load recommendations.
Follow Us