
নন্দীগ্রাম: নন্দীগ্রামের উপনির্বাচনের বাদ্যি বাজিয়ে দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। নন্দীগ্রামবাসীর কাছে তিনি আহ্বান করেছেন, ফলতার থেকেও বেশি ব্যবধানে যেন বিজেপি জেতে। এদিকে, জমি ছাড়ার পাত্র নয় সিপিএমও (CPM)। লড়াইয়ে নেমে পড়েছে তারা। তবে বিজেপি যখন হিন্দুত্বের তাস নিয়ে নির্বাচন লড়বে, সেই সময় উপনির্বাচনে ধর্মনিরপেক্ষ জোট করে লড়াই করার ভাবনা বামেদের। তবে কংগ্রেসের সঙ্গে জোট হবে কি হবে না তা এখনও জানা যাচ্ছে না।
ইতিমধ্যেই নন্দীগ্রাম উপনির্বাচন নিয়ে এক প্রস্ত বৈঠক হয়েছে দলীয় নেতৃত্বে ও কর্মীদের সঙ্গে। বুধবার থেকে আদর্শ আচরণ বিধি চালুর পরই নন্দীগ্রাম পাড়ায় পাড়ায় লাল ঝান্ডা নিয়ে হাজির বামেরা। বর্তমানে তৃণমূলের অন্দরে প্রতীক নিয়ে দ্বন্দ্ব চলছে। ঋতপন্থী তৃণমূল ও কালীঘাটপন্থী তৃণমূলের দ্বন্দ্বের জলঘোলার মধ্যেই দ্রুত বামেরা নিজেদের আখের গুছিয়ে নিচ্ছে।
অপরদিকে, শাসক দল বিজেপি আলোচনা সারলেও কোনও ভাবে এখনো প্রচার শুরু করেনি। সেই জায়গায় বামেরা তৃণমূল ও বিজেপির বঞ্চনা কথা তুলে ধরে উপনির্বাচনের আবহে নিজেদের ঘর গোছাতে চাইছে। বাড়ি বাড়ি গিয়ে চলছে জনসংযোগ। তাই রাজ্যের শাসক বিজেপির বিরুদ্ধে ধর্মনিরপেক্ষ জোট করেই লড়াই রণকৌশল তৈরি করে বাড়ি বাড়ি প্রচার শুরু করলো। যদিও হলদি নদীর পাড়ে প্রার্থী ঘোষণা হয়নি বামেদের কিন্তু তৃণমূলের অবর্তমানে তাদের পুরোনো ভোটারদের ঘরে ফেরানোই মূল কাজ। পাশাপাশি লক্ষধিক ভোটে বিজেপির জয় নিয়ে চর্চা কেও তীব্র কটাক্ষ করে নাম নেতৃত্ব।
সিপিআইএম জেলা সম্পাদক মণ্ডলী পরিতোষ পট্টনায়ক বলেন, “আমাদের বিধানসভা কমিটি, বুথ কমিটি, অঞ্চল কমিটি গঠনের কাজ হয়েছে। আমাদের পার্টির স্ট্যান্ড পয়েন্ট যে তৃণমূল ও বিজেপির বিরুদ্ধে লড়তে হবে। প্রার্থী এখনও ঠিক হয়নি।”