
দিঘা: উইকএন্ডে পড়েছে স্বাধীনতা দিবস (Independence Day)। রবিবারের ছুটিটাও সঙ্গে পেয়ে বাঙালির ভ্রমণের গন্তব্য এখন দিঘা (Digha)। স্বাধীনতা দিবসে সৈকত শহরে উপচে পড়া ভিড়। সতর্ক রয়েছে প্রশাসনও। চলছে নজরদারি। তার মাঝেই সমুদ্র উপকূলে স্বাধীনতা দিবস উদযাপনে, আনন্দে আত্মহারা পর্যটকরা।
১৫ অগস্ট, দেশের স্বাধীনতা দিবসের দিনে জেলার সৈকত শহরে উপচে পড়া ভিড় হয়েছে। সকাল থেকেই স্বাধীনতা দিবস পালনের পাশাপাশি ছুটি দিনে চুটিয়ে আনন্দ করছেন পর্যটকরা। সমুদ্রের পাশাপাশি দিঘার জগন্নাথ মন্দিরে ও পর্যটকদের ভিড়। যদিও এই ভিড় সামালের জন্য দিঘার পুলিশ প্রশাসনের পাশাপাশি দিঘা-শঙ্করপুর উন্নয়ন পর্ষদ ও জেলা প্রশাসন তৈরি রয়েছে।
দিঘা মানেই তো সমুদ্র স্নান। তবে এখন যে সমুদ্রে নামা বারণ। গত কয়েকদিন ধরেই দিঘায় তীব্র জলোচ্ছ্বাস হচ্ছে। সমুদ্রের ভয়ঙ্কর রূপ উপভোগ করার জন্য বহু পর্যটক এসেছেন। এমনিতেই বর্ষাকালে দিঘায় পর্যটকের সংখ্যা বেশি হয়। তবে পর্যটকরা এলেও সমুদ্র স্নানে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।
এদিন সকালেও ঝোড়ো হাওয়ার ফুলে ওঠেছে সমুদ্রের জল। সমুদ্র উত্তাল থাকায় পর্যটকদের সমুদ্রে নামতে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে দিঘা পুলিশ প্রশাসন। তবে সেই নিয়ম ভেঙে বিক্ষিপ্তভাবে সমুদ্র স্নান চলছে দিঘায়।
আবহাওয়া অফিসের পূর্বাভাস অনুযায়ী, শনিবার পর্যন্ত নিম্নচাপের দুর্যোগ চলবে। ঝোড়ো হাওয়ায় উত্তাল থাকবে সমুদ্র। যদিও তাতে পর্যটকদের উৎসাহে একটুও ভাঁটা পড়ছে না।
আগের দিঘা এখন আমূল পরিবর্তন হয়েছে বলেই মনে করেন পর্যটকরা। এই বিষয়ে জেলা শাসক নিরঞ্জন কুমার বলেন, “সমুদ্র স্নানে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। পাশাপাশি মৎস্যজীবীদের সমুদ্র যাত্রা ক্ষেত্রেও মানা করা হয়েছে। নজরদারি রয়েছে সৈকতে। পুলিশ, নুলিয়া থেকে বিডিও- আধিকারিকরা নজরদারি চালাচ্ছেন। এছাড়া বৃষ্টির জেরে জলবন্দী মানুষের কাছেও প্রশাসন ত্রিপল ও শুকনো খাবার পৌঁছে দিচ্ছে।”