Junput Missile Testing: বাংলার মাটি থেকে ছোড়া হবে ক্ষেপণাস্ত্র! দিঘার কাছে DRDO-র মেগা প্রোজেক্ট, অনুমোদন শুভেন্দু-সরকারের

DRDO Junput Missile Testing Centre: জানা গিয়েছে,  ২০২৪ সালের এপ্রিল মাসে তৃণমূল সরকারের আমলে জুনপুটে পরীক্ষাকেন্দ্র তৈরির প্রস্তাব দেয় DRDO। অভিযোগ, প্রকল্পের জন্য জমি বরাদ্দের বিষয়টি দীর্ঘদিন ধরে আটকে ছিল। নতুন সরকারের আমলে এবার সেই জট কাটল। এই প্রকল্পে রাজ্য সরকারের অনুমোদন মিলেছে বলে জানা গিয়েছে।

Junput Missile Testing: বাংলার মাটি থেকে ছোড়া হবে ক্ষেপণাস্ত্র! দিঘার কাছে DRDO-র মেগা প্রোজেক্ট, অনুমোদন শুভেন্দু-সরকারের
ফাইল ছবিImage Credit source: Tv9 Bangla

| Edited By: শুভশ্রী রায়চৌধুরী

Sep 13, 2026 | 1:31 PM

কলকাতা: বাংলায় সরকার বদলাতেই প্রতিরক্ষায় বিনিয়োগ। দিঘার খুব কাছেই তৈরি হচ্ছে DRDO-র নতুন ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষাকেন্দ্র। প্রতিরক্ষা মন্ত্রককে (Defence Ministry) জমি দিল রাজ্য সরকার। জানা গিয়েছে, পূর্ব মেদিনীপুরের জুনপুটে (Junput) পরীক্ষাকেন্দ্র তৈরি হবে। আর দিঘা থেকে জুনপুটের দূরত্ব ৪০ থেকে ৪৫ কিলোমিটারের মধ্যে। উল্লেখ্য, মুখ্য়মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (CM Suvendu Adhikari) আগেই জানিয়েছিলেন, ডিআরডিও-র তরফে জুনপুটে প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে একটি বড় প্রোজেক্ট আসছে। ইতিমধ্যেই তিনি অনুমোদন দিয়েছেন। এবার জানা গেল জুনপুটে নতুন ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষাকেন্দ্র তৈরি হচ্ছে।

জমি দিল রাজ্য সরকার

জানা গিয়েছে,  ২০২৪ সালের এপ্রিল মাসে তৃণমূল সরকারের আমলে জুনপুটে পরীক্ষাকেন্দ্র তৈরির প্রস্তাব দেয় DRDO। অভিযোগ, প্রকল্পের জন্য জমি বরাদ্দের বিষয়টি দীর্ঘদিন ধরে আটকে ছিল। নতুন সরকারের আমলে এবার সেই জট কাটল। এই প্রকল্পে রাজ্য সরকারের অনুমোদন মিলেছে বলে জানা গিয়েছে। প্রতিরক্ষা মন্ত্রককে জমি দিয়েছে শুভেন্দু-সরকার। জানা গিয়েছে, ওড়িশার চাঁদিপুরের পরিপূরক হিসেবে কাজ করবে জুনপুটের এই নতুন পরীক্ষাকেন্দ্র।

কী হবে জুনপুট পরীক্ষাকেন্দ্রে?

বঙ্গোপসাগরের উপকূলে অবস্থিত জুনপুট চাঁদিপুর থেকে প্রায় ৭০ কিলোমিটার দূরে। ফলে দুই পরীক্ষাকেন্দ্রকে কাজে লাগিয়ে পরীক্ষার পরিকাঠামো আরও বাড়ানো সম্ভব হবে বলে মনে করা হচ্ছে। নতুন কেন্দ্র তৈরি হলে ক্ষেপণাস্ত্র, রাডার এবং বিভিন্ন উন্নত প্রতিরক্ষা প্রযুক্তির পরীক্ষা আরও কার্যকরভাবে করা সম্ভব হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এর ফলে গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র ব্যবস্থার পরীক্ষার ক্ষেত্রে চাঁদিপুরের উপর চাপ কিছুটা কমানো সম্ভব হতে পারে। প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে গবেষণা ও পরীক্ষার পরিকাঠামো বাড়ানোর পাশাপাশি দেশের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বৃদ্ধিতেও এই প্রকল্প গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে।

এর আগে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেছিলেন, “DRDO-র তরফে একটি চিঠি পেয়েছিলাম। তাতে লেখা ছিল ২০২৪ সালে তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রীকে তারা চিঠি লিখেছিল। পূর্ব মেদিনীপুরের উপকূল এলাকা জুনপুটে একটি প্রোজেক্টের জন্য চিঠি লেখা হয়েছিল। কিন্তু, চিঠির কোনও উত্তর দেওয়া হয়নি। আমি উত্তর দিয়ে দিয়েছি। ডিআরডিও-র তরফে পশ্চিমবঙ্গে একটি বড় প্রতিরক্ষা প্রোজেক্ট আসছে। জুনপুটে হচ্ছে। যা দেশের সুরক্ষা ও পশ্চিমবঙ্গের বিকাশের জন্য বড় পদক্ষেপ।”

Loading...
Unable to load recommendations.
Follow Us