
কলকাতা: রাজ্যে উপনির্বাচনের অন্যতম হাইভোল্টেজ কেন্দ্র নন্দীগ্রাম (Nandigram By-Election)। নির্বাচনের দিন ঘোষণার পর থেকে এই কেন্দ্রের প্রার্থী নিয়ে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর (CM Suvendu Adhikari) ছেড়ে যাওয়া আসনে বিজেপি প্রার্থী হিসেবে বেশ কয়েকজনের নাম উঠে আসছে। কিন্তু, তৃণমূলের দুই শিবিরই কি প্রার্থী দেবে? প্রশ্ন উঠছে আদৌ কি প্রার্থী দিতে পারবে? কোন শিবিরের হাতে দলের নাম ও প্রতীক থাকবে, তা নিয়ে আজ দুই তৃণমূলের সঙ্গেই আলোচনা করেছে নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। সেক্ষেত্রে কমিশন কী সিদ্ধান্ত নেবে, সেদিকেই তাকিয়ে সব মহল। তবে, এর মধ্যেও নন্দীগ্রামে তৃণমূলের প্রার্থী (Nandigram TMC Candidate) নিয়ে চর্চা শুরু হয়েছে। সম্প্রতি, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম নিয়ে জোর জল্পনা চলছে। এদিকে, ঋতব্রতরা সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, নন্দীগ্রাম থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় লড়াই করলে তাঁরা প্রার্থী দেবেন না। এই চর্চা-জল্পনা-আলোচনার আবহে প্রাক্তন বিধায়ক তথা প্রাক্তন মন্ত্রীকে অখিল গিরিকে কালীঘাটে ডেকে পাঠালেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাহলে কি নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনে পুরনো সৈনিকেই আস্থা রাখছেন মমতা?
শনিবার কালীঘাটে অখিল গিরিকে ডেকে পাঠিয়েছেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী। এই বিষয়ে প্রাক্তন মন্ত্রী জানিয়েছেন, কয়েকদিন আগেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে ফোনে কথা হয়েছিল তাঁর। প্রার্থী নিয়ে তাঁর পরামর্শ চাওয়া হয়। অখিল গিরি বলেন, “তিনদিন আগে ফোনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে আমার কথা হয়েছে। উনি আমার পরামর্শ চেয়েছিলেন। জেলা থেকে আমরা সাজেশন দিয়ে দিয়েছি ইতিমধ্যেই। হোয়াটসঅ্যাপে সাজেশন দিয়েছি। গতকাল একটা টেলিফোন এল যে আমাকে আজ তাঁর বাড়িতে ডেকেছে। জানি না তিনি কী আলোচনা করবেন।”
তাহলে কি অখিল গিরিকেই নন্দীগ্রামের উপনির্বাচনের প্রার্থী করবে তৃণমূল? এই বিষয়ে প্রাক্তন বিধায়ক বলেন, “দল যদি আমাকে নির্দেশ দেয় আমি দলের অনুগত সৈনিক। আমি দলের নির্দেশ মানতে বাধ্য। আমরা চাই স্থানীয় প্রার্থী বা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর নিজের পছন্দ মতো লোককে বেছে নিয়ে প্রার্থী করুক। তবে স্থানীয় প্রার্থীর উপর জোর দিয়েছি। তবে, দল দায়িত্ব দিলে সেই নির্দেশ মানতে আমি বাধ্য।” হটস্পট নন্দীগ্রামের উপনির্বাচনে কি কালীঘাট তৃণমূলের বাজি হতে চলেছেন অখিল গিরি? আর কিছুদিনের মধ্যে তা স্পষ্ট হয়ে যাবে।