
নন্দীগ্রাম: রাজ্যের দুই আসনে উপনির্বাচনের (BY-Poll) ঘোষণা করে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। তার মধ্যে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) ছেড়ে আসা হাইভোল্টেজ কেন্দ্র নন্দীগ্রামে কে হবেন বিজেপি প্রার্থী, সেই নিয়ে জল্পনা শুরু হয়েছে। এই জল্পনার মাঝেই উঠে আসছে একটি নাম। হাসি রথ। শুভেন্দু অধিকারীর নিহত আপ্ত সহায়কের চন্দ্রনাথ রথের মা। উপনির্বাচনে নন্দীগ্রাম থেকে তাঁকেই পদ্মপ্রার্থী করা হতে পারে বলে জোর জল্পনা। যদিও এই বিষয়ে কাঁথির সাংসদ সৌমেন্দু অধিকারী জানান, প্রার্থীপদ নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব।
গুরুদায়িত্ব পেলে যথাসাধ্য চেষ্টা করবেন বলে জানিয়েছেন চন্দ্রনাথের মা। এই বিষয়ে তিনি বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী আমাদের পরিবারের অভিভাবক । উনি যদি আমাকে কোনও গুরুদায়িত্ব দেন, তাহলে আমি মাথা পেতে নেব। আমি ১৯৯৮ সাল থেকেই রাজনীতি করি। দুইবার পঞায়েতের সদস্য। তিনবার পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য। এবারে যদি আমাকে গুরুদায়িত্ব দেওয়া হয়, যথাসাধ্য চেষ্টা করব দায়িত্ব পালন করার।”
জল্পনার মাঝে মুখ খুলেছেন কাঁথির সাংসদ সৌমেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, “এই বিষয়ে কিছু জানি না। উপনির্বাচনের প্রার্থীও উচ্চ স্তরেই ঠিক হয়। প্রার্থীর নাম যে কোনও মুহূর্তে ঘোষণা করা হবে, তাঁকে নিয়ে আমরা নির্বাচন করব। আমাদের প্রার্থীই জিতবেন, সেটা নিয়ে কোনও ভাবার কোনও অবকাশ নেই। রেকর্ড মার্জিন হবে। ফলতাকে ছাড়িয়ে যাওয়ার টার্গেট নিয়েছি।”
৬ অক্টোবর নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরে উপনির্বাচন। তবে, সবথেকে বেশি চর্চার কেন্দ্রবিন্দুতে নন্দীগ্রাম। কালীঘাট তৃণমূলের তরফে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই কেন্দ্র থেকে লড়তে পারেন বলে জল্পনা ছড়িয়েছে সম্প্রতি। এদিকে ঋতব্রত পন্থী তৃণমূলের মদন মিত্ররা জানিয়ে দিয়েছেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নন্দীগ্রামের উপনির্বাচনে দাঁড়ালে তাঁরা আর প্রার্থী দেবেন না। যদিও এই বিষয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তরফে কিছু জানানো হয়নি। এদিকে, এই জল্পনার মধ্যেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নন্দীগ্রামের প্রার্থী হওয়ার চ্যালেঞ্জ করলেন সৌমেন্দু। তিনি বলেন, “নন্দীগ্রামে লড়লে হারের হ্যাটট্রিক হবে। নন্দীগ্রাম, ছাব্বিশে হয়েছে ভবানীপুর, আরেকবার নন্দীগ্রামে আসুন, এক লক্ষ ১০ হাজারের টার্গেট পেরিয়ে যেতে আমাদের সুবিধা হবে।