
দিঘা: দিঘা মানে কি শুধুই সমুদ্রে স্নান করা? না, সৈকতে শপিং থেকে শুরু করে মাছ খাওয়ার মজাই আলাদা। হোটেলের পাশাপাশি সারাবছর রেস্তোরাঁগুলোতেও থাকে ভিড়। কিন্তু ভোজনপ্রিয় বাঙালির জন্য এবার খারাপ খবর। দিঘার একের পর এক হোটেলে পড়ল নোটিস। শুধু দিঘা নয়, শঙ্করপুর, তাজপুর, মন্দারমনির মতো জায়গাগুলিতেও হোটেলে নোটিস পড়েছে।
রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে খাদ্য সুরক্ষা দফতরের পাশাপাশি পূর্ব মেদিনীপুর প্রশাসনের তৎপরতা তুঙ্গে। কড়া পদক্ষেপ করা হল সৈকত উপকূলের পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে। দিঘার বিভিন্ন হোটেলের খাবারের গুণগত মান খতিয়ে দেখেন জেলাশাসক নিরঞ্জন কুমার, কাঁথি মহকুমা শাসক, খাদ্য সুরক্ষা দফতরের আধিকারিকরা।
খাবারের গুণগত মান খতিয়ে দেখতে হোটেল ও রেস্তোরাঁগুলি থেকে খাবারের নমুনা সংগ্রহ করে তদন্তকারী দল। পুজোর আগেই বিভিন্ন পর্যটনকেন্দ্র গুলিতে হোটেলের খাবারের গুণগতমান মান যাচাই করতে দিঘার বিভিন্ন হোটেলগুলিতে অভিযান চালায় প্রশাসন।
জেলার পাশাপাশি ব্লক প্রশাসন ও থানাগুলির পক্ষ থেকে দিঘার বিভিন্ন হোটেলে অভিযান চালানো হয়। খাবার ক্ষেত্রে যে সমস্ত মশলাগুলি ব্যবহার করা হচ্ছে তার গুণগতমান দেখা হচ্ছে। জল পুরনো ও বাসি খাবারগুলিতে বিশেষ করে গুরুত্ব দেওয়া হয়।উপকূল সহ এলাকায় এখনো পর্যন্ত খাদ্য দফতরের অভিযানে ৫০টির বেশি হোটেল রেস্তোরাঁ বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
নোটিসের পাশাপাশি আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানা গিয়েছে দফতর সূত্রে। যদিও এই সবের মাঝে পর্যটকরাও সচেতন হচ্ছেন। দিঘা বেড়াতে এলেও হোটেলের তৈরি খাবার না খেয়ে অনেকেই জিনিস কিনে রান্না করিয়ে খাচ্ছেন। আবার অনেকে হতাশা প্রকাশ করেছেন ঘুরতে এসে কেনো আপস করবেন। কেনই বা খাবারের গুনমান খারাপ হবে তাই প্রশ্ন তুলেছেন।