
মেদিনীপুর: কলকাতার মতো একই ছবি জেলাতেও। এসএসসি-র পরীক্ষা ঘিরে রাজ্য জুড়ে একের পর এক কেন্দ্রে কড়া নিরাপত্তা। কারণ, এই পরীক্ষা শুধুই লক্ষ লক্ষ চাকরিপ্রার্থীদেরই নয়। এই পরীক্ষা এসএসসি-রও। ২০১৬ সালের প্যানেলে লেগে রয়েছে দুর্নীতির দাগ। যা মুছে ফেলতেই নতুন করে পরীক্ষা নেওয়ার নির্দেশ দেয় সুপ্রিম কোর্ট। আর এই আগের বাতিল প্যানেল ও বর্তমানে তৈরি হওয়া প্যানেলের মধ্য়ে সময়ের ব্যবধান ন’বছর। সুতরাং, নিরাপত্তা নিয়ে তৎপরতা তো থাকবেই।
রয়েছে হাজার হাজার পরীক্ষার্থী
দু’টি স্তরে পরীক্ষা হতে চলেছে। প্রথমটি রবিবার অর্থাৎ ৭ তারিখ। দ্বিতীয়টি, একেবারে ১৪ তারিখ। আর এই দুই পরীক্ষার জন্য পূর্ব মেদিনীপুরে নির্ধারিত পরীক্ষা কেন্দ্র মোট ৩৫টি। যার মধ্যে তমলুক মহকুমায় রয়েছে ১৬টি, কাঁথিত ৯টি, এগরায় ৫টি এবং হলদিয়ায় ৫টি। পরীক্ষা দিতে চলেছেন মোট ৪০ হাজার ৪০০ জন পরীক্ষার্থী। যাদের মধ্য়ে রবিবার পরীক্ষা দেবেন ২১ হাজার ২৫৫ জন পরীক্ষার্থী এবং আগামী ১৪ তারিখ পরীক্ষা দেবেন ১৯ হাজার ১৪৫ জন।
কলকাতার মতোই কড়া নিরাপত্তা
জেলা পুলিশ সূত্রে খবর, আগামিকালের পরীক্ষার জন্য জেলায় যেন জারি হয়েছে ‘হাই অ্যালার্ট’। মোতায়েন থাকবে ৭০০ থেকে ৮০০ পুলিশ। যাদের বেশির ভাগ জনই আবার ইন্সপেক্টর পদমর্যাদার। পরীক্ষা চলাকালীন এবং আগে-পরে জেলার মধ্য়ে আইনশৃঙ্খলা যেন বজায় থাকে, সেই দিকে লক্ষ্য় রাখবেন ম্যাজিস্ট্রেটরা। এছাড়াও, নজর রাখা হয়েছে যানজট নিয়ন্ত্রণের উপর। খবর গিয়েছে, আরটিও-গুলিতেও। সর্বক্ষণ তৈরি থাকবে ক্যুইক রেসপন্স টিম।
দাগিদের ‘চিহ্নিতকরণ’
ইতিমধ্যেই এসএসসি তরফে একটি চিহ্নিত দাগিদের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। আগামিকাল পরীক্ষা। তাই জেলার প্রতিটি কেন্দ্রেই পৌঁছে গিয়েছে, সেই দাগিদের নাম। সুপ্রিম কোর্টের কড়া নির্দেশ, কোনও দাগি যেন পরীক্ষা না দিতে পারে। সেই কথা মাথায় রেখেই পরীক্ষা কেন্দ্রে ঢোকার আগে নাম যাচাইয়ে কড়া নজরদারি। দেখা হবে সচিত্র পরিচয়পত্র ও অ্য়াডমিট কার্ড।