Purulia: প্রিন্সিপ্যালের ছোঁয়াছুঁয়ি বাতিক! ‘নীচু জাত বলে মিটিং-এ ঢুকতে দিত না’, বিস্ফোরক অভিযোগ

SC ST Act Complain: জেলাশাসক, জেলা পুলিশ সুপার, সিধো কানহো বিরসা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ, কলেজের টিচার্স কাউন্সিল ও শিক্ষা দফতরকে সমস্ত কিছু জানিয়েছেন ওই কর্মী। অবসরকালীন সুযোগ সুবিধা থেকে তাঁকে বঞ্চিত করা হবে বলে হুমকি দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ। লিখিত অভিযোগ জানিয়েছেন থানায়।

Purulia: প্রিন্সিপ্যালের ছোঁয়াছুঁয়ি বাতিক! নীচু জাত বলে মিটিং-এ ঢুকতে দিত না, বিস্ফোরক অভিযোগ

| Edited By: তন্নিষ্ঠা ভাণ্ডারী

Jun 30, 2026 | 11:20 AM

পুরুলিয়া: তপশিলি জাতিভুক্ত হওয়ায় এক চতুর্থ শ্রেণির কর্মীকে জাত তুলে অপমান করা এবং নানারকম হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠল অধ্যক্ষার বিরুদ্ধে। পুরুলিয়ার বলরামপুর কলেজের ঘটনা। বলরামপুর কলেজের একমাত্র স্থায়ী শিক্ষাকর্মীকে অপমান করা হয়েছে বলে অভিযোগ। ইতিমধ্যেই ওই কর্মী জাতীয় এসসি-এসটি কমিশনের কাছে লিখিতভাবে সবকিছু জানিয়েছেন। কলেজের স্থায়ী অধ্যাপিকারাও সরব হয়েছেন অধ্যক্ষার নানা আচরণের বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত অধ্যক্ষা অনন্যা ঘোষের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি দাবি করেন, সব অভিযোগই মিথ্যা।

বলরামপুর কলেজের পদার্থবিদ্যার ল্যাবরেটরিতে ল্যাব অ্যাটেনডেন্ট হিসেবে কাজ করেন বিশ্বনাথ রুহিদাস। ২০০০ সালে তিনি চাকরিতে যোগ দেন। আগামী বছরের ১৫ মার্চ চাকরিজীবন থেকে তাঁর অবসর নেওয়ার কথা। তার আগেই কলেজের অধ্যক্ষ্যার বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ সামনে আনলেন তিনি।

এর আগে জেলাশাসক, জেলা পুলিশ সুপার, সিধো কানহো বিরসা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ, কলেজের টিচার্স কাউন্সিল ও শিক্ষা দফতরকে সমস্ত কিছু জানিয়েছেন ওই কর্মী। তাঁর অভিযোগ, তিনি মুচি সম্প্রদায়ের হওয়ায় বিভিন্ন সময়ে তাঁকে হেনস্থা করা হয়েছে। অবসরকালীন সুযোগ সুবিধা থেকে তাঁকে বঞ্চিত করা হবে বলে হুমকি দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ। বলরামপুর থানায় এই বিষয়ে লিখিত অভিযোগ জানিয়েও কোনও লাভ হয়নি বলে দাবি করেছেন ওই কর্মী।

বাধ্য হয়ে তিনি জাতীয় এসসি-এসটি কমিশনের কাছে লিখিতভাবে সমস্ত কিছু জানিয়েছেন। ওই অধ্যক্ষা তাঁর বাড়িতেও গিয়েছেন বলে তিনি জানিয়েছেন। অপমানের কারণে তিনি আত্মহননের কথাও একবার ভেবেছিলেন বলে জানিয়েছেন। ওই কর্মী বলেন, “অধ্যক্ষা ওঁর আশেপাশে যেতে দিতেন না আমাকে। নীচু জাত বলে কোনও মিটিং-এ ঢুকতে দিতেন না।”

কলেজের স্থায়ী অধ্যাপিকারাও অধ্যক্ষার আচরণের বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন। বিভিন্ন সময়ে তাঁদেরকেও নানাভাবে হেনস্থা করা হয়েছে বলে তাঁরা অভিযোগ জানিয়েছেন।

এই কলেজেরই পরিচালন সমিতির সভাপতি ছিলেন প্রাক্তন মন্ত্রী তথা তৃণমূল নেতা শান্তিরাম মাহাতো। কর্মীর অভিযোগ, তিনি সবকিছু জানা সত্ত্বেও কোনও ব্যবস্থা গ্রহণ করেননি। যাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ, সেই অধ্যক্ষাকে কলেজে গিয়ে পাওয়া যায়নি। ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, “আমার বিরুদ্ধে চক্রান্ত করা হচ্ছে, সবটাই বানানো গল্প।” বলরামপুর বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক জলধর মাহাতো বলেন, আমিও বিষয়টা জানি। আমি বলব, বলরামপুরের আইসি যেন বিষয়টি নিয়ে দ্রুত পদক্ষেপ করে।”

Loading...
Unable to load recommendations.
Follow Us