
পুরুলিয়া: বেআইনি নির্মাণে জ়িরো টলারেন্স নীতি মেনেই চলছে বিজেপি সরকার(WB BJP Government) । রাজ্যের একাধিক এলাকায় বেআইনি নির্মাণে চলছে বুলডোজ়ার অ্যাকশন। কখনও রেল স্টেশনে গড়ে ওঠা অবৈধ দোকান, গুমটি ভেঙে দেওয়া হয়েছে, কখনও বুলডোজার চলেছে বহুতলেও। বাদ যায়নি তৃণমূলের বিভিন্ন দলীয় কার্যালয়। তবে, এবার বেআইনি নির্মাণে (Illegal Construction) বুলডোজার চালাল তৃণমূল নিজেই। তাও আবার নিজেদেরই পার্টি অফিসে। এমনই ঘটনা ঘটেছে পুরুলিয়ার (Purulia) লক্ষণপুর এলাকায়। গোটা বিষয়ে তৃণমূলকে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি বিজেপি(BJP)।
পুরুলিয়া-বাঁকুড়া জাতীয় সড়কের ধারে জবররা অঞ্চলের লক্ষণপুর এলাকায় ছিল তৃণমূলের দলীয় কার্যালয়টি। অভিযোগ, ২০২২ সালে তৃণমূল জমানায় ক্ষমতার অপব্যবহার করে অবৈধভাবে বনদফতরের জমি দখল করে নির্মাণ করা হয়েছিল ওই দলীয় কার্যালয়। বিজেপির অভিযোগ, বিরোধী দল থাকাকালীন তাদের তরফে এই বিষয়ে বিভিন্ন সময় লিখিত অভিযোগ জানানোর পরও লাভ কিছুই হয়নি।
রাজ্যে পালাবদলের পরই সরকারি জমি পুনরুদ্ধারের কাজে নেমে পড়েছে প্রশাসন। চলতি মাসেই বনদফতরের তরফে একটি নোটিস দেওয়া হয়। সেই নোটিসে বলা হয় অবৈধ নির্মাণ দুই দিনের মধ্যে সরিয়ে নিতে হবে। বনদফতরের তরফে দেওয়া সময়সীমা পার হওয়ার আগেই অবৈধ ভাবে নির্মাণ করা দলীয় কার্যালয়ে বুলডোজার চালিয়ে নিজেরাই ভেঙে ফেলল তৃণমূল।
বিজেপির কটাক্ষ, “বিড়াল তো এমনি এমনি গাছে ওঠে না। যতক্ষণ না পর্যন্ত ঠেলায় পড়ে, ততক্ষণ পর্যন্ত গাছে ওঠে না। এই বিষয়ে আমরা ২০২২ সালের ২৭ নভেম্বর অভিযোগ করেছিলাম। তৃণমূল ভেবেছিল, সারাজীবন এভাবেই চলবে। আমরা বলেছিলাম, যেদিন আমরা ক্ষমতায় আসব, সেদিন আমরা এটা বুলডোজ়ার দিয়ে ভাঙব। তৃণমূল নেতারা ভয়ে ভেঙে ফেলেছে।”
তৃণমূলের দাবি, কোনও বুলডোজ়ার চলেনি। আমরা নিজেরাই ভেঙে ফেলেছি। প্রশাসনের তরফে নোটিস দেওয়া হয়েছিল। তাই আইনে যা আছে, তাই মেনেই তাঁরা কাজ করেছেন। তবে, তৃণমূলের দাবি, তাঁরা জানতেন না যে কার্যালয়টি বনদফতরের জমির উপর নির্মাণ করা হয়েছে।