Purulia: প্রেমিকাকে ফাঁকা মেসে ডাকে কলেজপড়ুয়া, ঘরের মেঝেতে ফোঁটা পড়ে থাকতে দেখেই সন্দেহ বাকিদের ! মেসবাড়ির ভয়ঙ্কর রহস্যের পর্দাফাঁস

Nursing Student Body Recover: শনিবার বিকালে মেসের বাকি ছাত্ররা মাঠে খেলতে যায়। বাড়িতে একা থাকে অমিত। সেই সময়ে প্রেমিতা প্রীতিকাকে ডেকে পাঠায় অমিত। মেসের অন্যান্য ছাত্রদের দাবি, সন্ধ্যার পর তারা বাড়িতে ফিরে অমিতের অস্বাভাবিক আচরণ দেখতে পায়। মেঝেতে রক্তের দাগও পড়ে থাকতে দেখে।

Purulia:  প্রেমিকাকে ফাঁকা মেসে ডাকে কলেজপড়ুয়া, ঘরের মেঝেতে ফোঁটা পড়ে থাকতে দেখেই সন্দেহ বাকিদের ! মেসবাড়ির ভয়ঙ্কর রহস্যের পর্দাফাঁস
মেস ঘরে ডেকে প্রেমিকাকে 'খুন' Image Credit source: TV9 Bangla

| Edited By: শর্মিষ্ঠা চক্রবর্তী

Sep 13, 2026 | 6:16 PM

পুরুলিয়া: পরপর চারটি ঘটনাপ্রবাহ। ঘটনা ১. মেস ঘর ফাঁকা। সেই সুযোগেই প্রেমিকাকে ডেকেছিলেন তাঁর প্রেমিক। ২. তারপর থেকেই সেই ছাত্রীর খোঁজ মিলছিল না। ৩. বস্তার ধারে একটি বস্তা উদ্ধার। তা নিয়ে সন্দেহ। বস্তার মুখ খুলতেই উদ্ধার খণ্ড খণ্ড দেহ। রক্তাক্ত! ঘটনার তদন্তে নেমে পুলিশের হাতে উঠে এল রোমহর্ষক ঘটনা। দিল্লির শ্রদ্ধা ওয়ালকারের খুনের ঘটনার ছায়া। যেখানে প্রেমিকাকে ৩৫ টুকরো করেছিল প্রেমিক। পুরুলিয়ার টামনা থানার রামকৃষ্ণপল্লি এলাকায় ভয়ঙ্কর ঘটনা। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃতের নাম প্রীতিকা মাহাতো।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে,  রামকৃষ্ণ পল্লি এলাকায় একটি বাড়িতে মেস ভাড়ে করে থাকত ১৬জন। দোতলার ২টি ঘরের মধ্যে ১টি ঘরে বাগমুণ্ডী  থানা এলাকার ২জন থাকত। অমিত মাহাতো ও পবিত্র গোপ। তার মধ্যে শনিবার  দুপুরে পবিত্র নিজের বাড়ি চলে যায়।

শনিবার বিকালে মেসের বাকি ছাত্ররা মাঠে খেলতে যায়। বাড়িতে একা থাকে অমিত। সেই সময়ে প্রেমিতা প্রীতিকাকে ডেকে পাঠায় অমিত। মেসের অন্যান্য ছাত্রদের দাবি, সন্ধ্যার পর তারা বাড়িতে ফিরে অমিতের অস্বাভাবিক আচরণ দেখতে পায়। মেঝেতে রক্তের দাগও পড়ে থাকতে দেখে। রুমের মধ্যে পরে থাকা রক্ত জল দিয়ে মুছে ফেলে অমিত। তাতে আরও সন্দেহ হয় বাকিদের।

এরপরই তারা থানায় খবর দেয়। পুলিশ গিয়ে রুমটিকে সিল করে দেয়। এদিকে,  প্রায় সে সময়েই বলরামপুর-বাগমুন্ডি রাজ্য সড়কের ধারে একটি বস্তার খণ্ড খণ্ড দেহ উদ্ধার হয়। জানা যায় দেহটি প্রীতিকার। এরই মাঝে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে অমিত। কিন্তু তাকে ধাওয়া করে ধরে ফেলে পুলিশ। প্রাথমিক ভাবে পুলিশ মনে করছে, প্রীতিকাকে খুন করে দেহ কেটে টুকরো করে বস্তা ভরে ফেলে নিজে পালানোর চেষ্টা করেছিল অমিত। কেন খুন, তা জানার চেষ্টা করছে পুলিশ।

প্রীতিকার বাবা ফলারি মাহাতো বলেন, “মেয়ে শহরে একটি মেসে থাকতো। নার্সিং কোচিং নেওয়ার জন্য। শনিবার দুপুরের পর যোগাযোগ করা যায়নি। মেসের মালিকের সঙ্গে কথা বলে পুরুলিয়া সদর থানায় নিখোঁজের ডায়েরি করতে গিয়ে জানতে পারি মেয়ে খুন হয়েছে। আমরা মেয়ের সম্পর্কের বিষয়ে কিছুই জানি না।”

Loading...
Unable to load recommendations.
Follow Us