Arambag: ‘কেবল রক্তটা নিয়েই ১ ঘণ্টা ফেলে রাখল ওরা, আর তারপরই অসাড় হতে থাকে শরীর’, নাবালিকার মর্মান্তিক পরিণতি

Snakebite Death Medical Negligence: রোগীর অবস্থা আশঙ্কাজনক দেখে পরিবারের লোকজন বারবার সাহায্য চাইতে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসাকর্মীরা তাঁদের উল্টে বকাঝকা ও দুর্ব্যবহার করেন। দীর্ঘ টালবাহানার পর চিকিৎসা শুরু হলেও শেষ রক্ষা হয়নি, রবিবার মৃত্যু হয় তমোশির।

Arambag: কেবল রক্তটা নিয়েই ১ ঘণ্টা ফেলে রাখল ওরা, আর তারপরই অসাড় হতে থাকে শরীর, নাবালিকার মর্মান্তিক পরিণতি
চিকিৎসায় গাফিলতিতে রোগী মৃত্যুর অভিযোগImage Credit source: TV9 Bangla

| Edited By: শর্মিষ্ঠা চক্রবর্তী

Jul 05, 2026 | 1:55 PM

আরামবাগ: পৌনে ন’টায় সাপে কেটেছিল। ৯টায় নাবালিকাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। অভিযোগ, তারপর এক ঘণ্টা তাকে ফেলে রাখা হয় জরুরি বিভাগেই।  সে সময় কেবল রক্ত নেওয়াই হয়েছিল। কিন্তু সেই রক্ত আর পরীক্ষা করা হয়নি বলে অভিযোগ। নার্সরা নাকি বলেছিলেন, ব্লাড ক্লট হচ্ছে। এক ঘণ্টার মধ্যেই হৃদরোগে আক্রান্ত হয় মৃত্যু হয় নাবালিকার। মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসক ও নার্সদের গাফিলতির অভিযোগে রোগী মৃত্যুকে কেন্দ্র করে বিক্ষোভ। হাসপাতাল ও পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে. রোগীর নাম তমোশি পাল (১৬)।

আরামবাগ পুরসভার ১০ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা। পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার রাত ৯টা নাগাদ তমোশিকে সাপে কাটার পর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অভিযোগ, ভর্তির পর দীর্ঘক্ষণ কোনও চিকিৎসক বা নার্স তাকে দেখতে আসেননি। রোগীর অবস্থা আশঙ্কাজনক দেখে পরিবারের লোকজন বারবার সাহায্য চাইতে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসাকর্মীরা তাঁদের উল্টে বকাঝকা ও দুর্ব্যবহার করেন। দীর্ঘ টালবাহানার পর চিকিৎসা শুরু হলেও শেষ রক্ষা হয়নি, রবিবার মৃত্যু হয় তমোশির।

এই খবর ছড়াতেই ক্ষোভে ফেটে পড়েন রোগীর পরিজন ও স্থানীয় বাসিন্দারা। দোষী চিকিৎসক ও নার্সদের শাস্তির দাবিতে তাঁরা হাসপাতাল চত্বরে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। যদিও হাসপাতালের এক চিকিৎসক দাবি করেছেন, “যাবতীয় চিকিৎসা করা হয়েছিল, কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত রোগীকে বাঁচানো যায়নি। আমরা এর জন্য ক্ষমাপ্রার্থী।” পরে অবশ্য পরিস্থিতি নিজে থেকেই কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আসে এবং বিক্ষোভকারীরা শান্ত হন। তবে গাফিলতিতে যুক্তদের কঠোর শাস্তির দাবিতে অনড় রয়েছে পরিবার।

মৃতের এক দাদা বলেন, “এখানকার নার্স-হাসপাতাল কর্মীদের ব্যবহার কীরকম সেটা স্ট্রিং অপারেশন করলেই বোঝা যাবে। আমরা বারবার বলছিলাম, পেসেন্টের অবস্থা খারাপ হচ্ছে। কিন্তু কেবল রক্ত নিয়েই ফেলে রাখে। রক্ত পরীক্ষাটা পর্যন্ত করে না। এক ঘণ্টা পর থেকে অসাড় হতে থাকে শরীর। ডাক্তাররা শেষের দিকে অনেক চেষ্টা করেছিলেন। CPR করে অনেক চেষ্টা করেছিলেন বাঁচানোর। আর হল না।”

Follow Us