
ডায়মন্ড হারবার: তিনি শুধু তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদকই নন, তিনি ডায়মন্ড হারবারের সাংসদও। দু’বারের সাংসদ ডায়মন্ড হারবার থেকে। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সেনাপতিত্বে ডায়মন্ড হারবার মডেল ব্যাপকভাবে চর্চিত হয়েছে রাজ্য রাজনীতিতে। সোমবার সেই ডায়মন্ড হারবার লোকসভা কেন্দ্রের উন্নয়নের কাজকর্ম নিয়ে পর্যালোচনা বৈঠকে বসেছিলেন অভিষেক। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বোঝালেন কেন এটা ডায়মন্ড হারবার মডেল। পরিসংখ্যান তুলে ধরে বোঝালেন তাঁর লোকসভা কেন্দ্রে গত এক দশক ধরে গড়ে প্রতি ঘণ্টায় ৬ লাখ টাকার কাজ হয়েছে।
ডায়মন্ড হারবার লোকসভা কেন্দ্রের উন্নয়নের খতিয়ানের পর্যালোচনা বৈঠক শেষে অভিষেক জানালেন, গত দশ বছরে শুধুমাত্র ডায়মন্ড হারবার লোকসভা কেন্দ্রেই ২৮০০ কোটি টাকার কাজ সম্পন্ন হয়েছে। এর মধ্যে অভিষেকের সাংসদ তহবিল থেকে শুরু করে এলাকার বিধায়কদের বিধায়ক তহবিল, জেলা পরিষদের বিভিন্ন প্রকল্প ও সরকারি বিভিন্ন দফতরের প্রকল্পও রয়েছে। অভিষেক বললেন, ‘সব দফতর মিলিয়ে প্রায় ২৮০০ কোটি টাকার কাজ আমরা শেষ করেছি।’
এ তো গেল যে কাজগুলি ইতিমধ্যেই হয়ে গিয়েছে, সেগুলি। অভিষেক জানালেন, এর পাশাপাশি আরও প্রচুর কর্মযজ্ঞ চলছে ডায়মন্ড হারবারে, যেগুলির কাজ আগামী এক-দু’মাসের মধ্যে শেষ হয়ে যাবে। ডায়মন্ড হারবারের সাংসদের কথায়, ‘চলতি প্রকল্পগুলির টাকার অঙ্ক ২৪০০ কোটি টাকা।’ বললেন, ‘এই দু’টি যদি যোগ করেন, তাহলে ৫২০০ কোটি টাকার কাজ গত দশ বছরে ডায়মন্ড হারবার লোকসভা কেন্দ্রে আমরা করতে পেরেছি।’ অভিষেক আরও জানালেন, এছাড়া আরও ৫৮০ কোটি টাকার কাজ হওয়ার কথা আছে। সেটা যোগ করলে, সব মিলিয়ে টাকার অঙ্কটা দাঁড়ায় ৫৭৮০ কোটি টাকা।
ডায়মন্ড হারবারের সাংসদের কথায়, ‘সব মিলিয়ে ৫,৭৮০ কোটি টাকার কাজ ডায়মন্ড হারবারে আমরা করেছি, করছি বা আগামী দিনে সম্পূর্ণ হতে চলেছে। এক কোটি, দু কোটি, পাঁচ কোটি, দশ কোটি নয়।’
এরপরই গত দশ বছরের কাজের গড় হিসেব বোঝালেন অভিষেক। কেমন সেই অঙ্ক?
সেক্ষেত্রে অভিষেকের ব্যাখ্যায়,
বেশ প্রত্যয়ী গলায় অভিষেক বললেন, ‘এরই নাম ডায়মন্ড হারবার মডেল।’ শোনালেন আগামী দশ বছরের টার্গেটের কথাও। আগামী দশ বছরে আরও বড় টার্গেট অভিষেকের। বললেন, ‘আগামী দশ বছরে, ডায়মন্ড হারবারে ৫৭০০ কোটি নয়, ১০ হাজার কোটি টাকার কাজ হবে।’ সেক্ষেত্রে অভিষেকের ব্যাখ্যায় প্রতি ঘণ্টায় কাজ হবে দশ লাখ টাকার। প্রতি মাসে কাজ হবে ১০০ কোটি টাকার এবং প্রতি বছরে কাজ হবে ১ হাজার কোটি টাকার।