Baruipur Case: ‘আমি বিয়ের পর থেকেই দেখেছি…’, মা মেনে নিয়েছেন, কিন্তু ‘রাঁধুনি’ স্বামীর এনকাউন্টারের কথা শুনেই কী বললেন স্ত্রী?

Baruipur Assault Case: এক জনের ছেলে, একজনের স্বামী! ছেলে যে মারা গিয়েছে, বাড়ি বয়ে গিয়ে কেউ খবর দিয়েছিল। কিন্তু কীভাবে মৃত্যু, তা তাঁদের বলা হয়নি। জানতেও আগ্রহ দেখাননি ওঁরা। স্পষ্ট জানিয়ে দেন, দেহ কেউ আনতেও যাবে না। কেউ মুখও দেখবে না। কিন্তু স্ত্রী! যিনি এতগুলো বছর সংসার করেছেন। তিনি কী বলছেন? 

Baruipur Case: আমি বিয়ের পর থেকেই দেখেছি..., মা মেনে নিয়েছেন, কিন্তু রাঁধুনি স্বামীর এনকাউন্টারের কথা শুনেই কী বললেন স্ত্রী?
অভিযুক্তের স্ত্রীImage Credit source: TV9 Bangla

| Edited By: শর্মিষ্ঠা চক্রবর্তী

Jul 08, 2026 | 3:48 PM

দক্ষিণ ২৪ পরগনা: ট্র্যাক রেকর্ড ভয়ঙ্কর!  রেকর্ড এমনই যে,  মৃত ছেলের মুখ দেখতে চাইছেন না, স্ত্রী বলছেন, ‘ও নোংরামো করবে, এটাই সত্যিই। কারণ ও নোংরাই।’ মা বারুইপুর ধর্ষণ খুন কাণ্ডে এনকাউন্টারে খতম হয়েছে এক অভিযুক্ত। যার ছবি ওই নাবালিকার সঙ্গে ভাইরাল হয়েছে। তদন্তে জানা গিয়েছে, এই অভিযুক্তই টাকার লোভে নাবালিকাকে মূল অভিযুক্তদের কাছে পৌঁছে দিয়েছিল। তাকেই মঙ্গলবার রাত আড়াইটে নাগাদ ঘটনাস্থলে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল পুনর্নির্মাণের জন্য। পুলিশের দাবি, সেখানেই হঠাৎ অভিযুক্ত কর্তব্যরত এক পুলিশ কর্মীর পকেট থেকে বন্দুক বার করে পালানোর চেষ্টা করে। পুলিশ বাধা দিলে এক রাউন্ড গুলিও চালায় সে। তারপর আত্মরক্ষার্থে পাল্টা গুলি চালায় পুলিশ। সেই গুলিতেই খতম অভিযুক্ত। জল কাদার ঝোপের মধ্যে পড়ে সে। সেখান থেকে তাকে উদ্ধার করে বারুইপুর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা মৃত বলে ঘোষণা করেন।

এক জনের ছেলে, একজনের স্বামী! ছেলে যে মারা গিয়েছে, বাড়ি বয়ে গিয়ে কেউ খবর দিয়েছিল। কিন্তু কীভাবে মৃত্যু, তা তাঁদের বলা হয়নি। জানতেও আগ্রহ দেখাননি ওঁরা। স্পষ্ট জানিয়ে দেন, দেহ কেউ আনতেও যাবে না। কেউ মুখও দেখবে না। কিন্তু স্ত্রী! যিনি এতগুলো বছর সংসার করেছেন। তিনি কী বলছেন?

TV9 বাংলার সাক্ষাৎকারে স্ত্রী স্পষ্টই বললেন, “ওর নোংরামো তো এমনিই ছিল। তাই এটা যে আমি বিশ্বাস করব না, এমনটা নয়। ও করবে না, এটা বলতে পারছি না। কারণ ও এরকম করে। বিয়ের পরও আমি ওর নোংরামো  দেখেছি। অনেক অত্যাচার সহ্য করে আমি সংসারটা করছিলাম। মেনেই নিয়েছি যে ও করেছে। ও দোষ করেছে গুলি খেয়েছে।”

এলাকায় কান পাতলেই শোনা যায় এই অভিযুক্তের কুকীর্তির কথা। নেশাগ্রস্ত তো ছিলই। অভিযোগ, এলাকায় মেয়েদের উত্ত্যক্ত করার রেকর্ড আগেও ছিল তাঁর বিরুদ্ধে। একবার বারুইপুর থানা পুলিশ তাকে ধরেও নিয়ে গিয়েছিল। বাধ্য হয়ে মা তাকে থানা থেকে ছাড়িয়ে এনেছিল জামিন করিয়ে।  কখনও রাঁধুনি, কখনও রাঁধুনির সহায়কের কাজ করত। স্ত্রী বাধ্য হয়েই কলকাতায় পরিচালিকার কাজ করে সংসার চালাদেহ তেন। আজ তার এই পরিণতিতে এলাকার কারোর মধ্যেই কোনও দুঃখ নেই।

স্ত্রী ও মা কোনওভাবেই অভিযুক্তের দেহ নিতে অস্বীকার করে দিয়েছেন। দেহ সৎকার্য করার ইচ্ছাটুকুও নেই তাঁদের। ওঁদের বক্তব্য, এটাই ওর প্রাপ্য।

Follow Us