
ভাঙড়: রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আরও উত্তপ্ত হচ্ছে ভাঙড় (Bhangar)। এবার ছাত্রদের বিক্ষোভ তুলতে নামানো হল র্যাপিড অ্যাকশন ফোর্স (RAF)। সোমবার সকালে বিজেপি নেতা তথা ভাঙড় কলেজের পরিচালন সমিতির চেয়ারম্যান সায়ন্তন বসুকে (Sayantan Basu) ঘিরে বিক্ষোভের সূত্রপাত হয়। পরে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষের পরিস্থিতি তৈরি হয়। এরপর ২ জনকে আটক করে পুলিশ। তাঁদের মুক্তির দাবিতে শুরু হয় বিক্ষোভ।
প্রথমে পুলিশের তরফ থেকে বারবার সতর্ক করা হয় যে থানার সামনে কোনও বিক্ষোভ দেখানো যাবে না। তারপরও চলছিল বিক্ষোভ। পুলিশ যাঁদের আটক করেছে, তাঁকে ছেড়ে দেওয়ার দাবি জানিয়ে এদিন বিক্ষোভ দেখান ছাত্ররা। রাত সাড়ে ৮টা নাগাদ সেই বিক্ষোভ তুলতে নামানো হল র্যাফ।
এদিন সকালে ওই কলেজে প্রবেশ করতে গেলে সায়ন্তন বসুকে বাধা দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। বেশ কিছুক্ষণ বাইরে অপেক্ষা করতে হয় তাঁকে। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। পুলিশ ছাত্রদের সরাতে লাঠিচার্জ করে বলে অভিযোগ। পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে ক্ষোভ প্রকাশ করেন এসএফআই-এর ছাত্রনেতারা। পরে সায়ন্তন বসু ভিতরে প্রবেশ করেন। কাজ সেরে বেরিয়ে যান তিনি।
বেরনোর সময় প্রশ্ন করা হলে সায়ন্তন বলেন, “আমি সব কাজ সেরেই বেরিয়েছি। আবার মিটিং হলে আসব।” তবে বিক্ষোভ ও লাঠিচার্জের অভিযোগ নিয়ে প্রশ্ন করা হলে সায়ন্তন বলেন, “আমার সামনে কিছু ঘটেনি। আমার পক্ষে বলা সম্ভব নয়। গেটের বাইরে আমি কিছুক্ষণ বসেছিলাম। তারপর ভিতরে গিয়ে সরকারি কাজ করি। পরিদর্শন করি।”
ভাঙড় কলেজের এই পরিস্থিতি প্রসঙ্গে কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার বলেন, “পরিচালন সমিতির চেয়ারম্যান কলেজে যাবেন, এটাই স্বাভাবিক ব্যাপার। ছাত্রনেতাদের কে অধিকার দিয়েছে, কে যাবে না যাবে, সেটা ঠিক করার?”