Kultali: আচমকা ১০০ কোটি টাকার ‘মালিক’, কুলতলির কাশ্মীরা শেখ বললেন…

Kultali woman Rs 100 crore bank account: কাশ্মীরা শেখের দাবি, বর্তমানে তাঁদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের লেনদেনও বন্ধ রয়েছে। শুধু ওই বিপুল অঙ্কের টাকা নয়, নিজেদের জমানো অর্থও তুলতে পারছেন না তাঁরা। কীভাবে এই টাকা অ্যাকাউন্টে এল, কেন লেনদেন বন্ধ হয়ে গেল এবং সমস্যার সমাধান কোথায় মিলবে, তা নিয়ে চরম অনিশ্চয়তা ও আতঙ্কে রয়েছেন কাশ্মীরা শেখ ও তাঁর পরিবার।

Kultali: আচমকা ১০০ কোটি টাকার মালিক, কুলতলির কাশ্মীরা শেখ বললেন...
কী বলছেন কাশ্মীরা শেখ?Image Credit source: TV9 Bangla

| Edited By: সঞ্জয় পাইকার

Aug 01, 2026 | 2:56 PM

কুলতলি: অ্যাসবেস্টসের ছাউনি দেওয়া বাড়ি। স্বামী কলকাতায় ব্যাগের কাজ করেন। আর তিনি বাড়িতে জরির কাজ করেন। কিন্তু, আচমকাই ১০০ কোটি টাকার ‘মালিক’ হয়ে গেলেন দক্ষিণ ২৪ পরগনার কুলতলির কাশ্মীরা শেখ। বড়লোক হলে মানুষ খুশি হন। কিন্তু, কাশ্মীরার চোখে মুখে দুশ্চিন্তা। এত টাকা হঠাৎ কীভাবে এল তাঁর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে? কোনও সমস্যায় পড়তে হবে না তো? বললেন, “ভয় তো লাগছে। আমরা গরিব মানুষ। খেটে খাই।”  

কাশ্মীরা শেখের বাড়ি কুলতলির কুন্দখালি-গোদাবর গ্রাম পঞ্চায়েতের কীর্তনখোলা গ্রামে। কয়েকদিন আগে গ্যাস বুকিং করেন তিনি। তারপর ভর্তুকি টাকা এসেছে কি না দেখতে ব্যাঙ্কের পাসবুক আপডেট করতে যান। সেইসময়ই, তাঁর অ্যাকাউন্টে টাকার পরিমাণ দেখে হতবাক হয়ে যান কাশ্মীরা। দেখেন, তাঁর অ্যাকাউন্টে প্রায় ১০০ কোটি টাকা ব্যালেন্স দেখাচ্ছে। হঠাৎ এত বিপুল অঙ্কের টাকা দেখে তিনি ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা হতবাক হয়ে পড়েন।

এরপর বিষয়টি জানাতে কাশ্মীরা ও তাঁর স্বামী ওই রাষ্ট্রায়ত্ত ব্য়াঙ্কের কুলতলির জামতলা শাখায় যান। তাঁদের অভিযোগ, ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষ বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে না দেখে বাড়ি ফিরে যেতে বলে। কাশ্মীরা শেখের দাবি, বর্তমানে তাঁদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের লেনদেনও বন্ধ রয়েছে। শুধু ওই বিপুল অঙ্কের টাকা নয়, নিজেদের জমানো অর্থও তুলতে পারছেন না তাঁরা। কীভাবে এই টাকা অ্যাকাউন্টে এল, কেন লেনদেন বন্ধ হয়ে গেল এবং সমস্যার সমাধান কোথায় মিলবে, তা নিয়ে চরম অনিশ্চয়তা ও আতঙ্কে রয়েছেন কাশ্মীরা শেখ ও তাঁর পরিবার। ঘটনার প্রকৃত কারণ এখনও স্পষ্ট নয়। ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষের কোনও বক্তব্যও এখনও পাওয়া যায়নি।

কী বলছেন কাশ্মীরা?

বাড়িতে জরির কাজ করতে করতেই কাশ্মীরা বলেন, “কীভাবে এসেছে আমি জানি না। আমি রান্নার গ্যাস বুক করেছিলাম। তার ভর্তুকির টাকা এসেছে কি না, দেখতে গিয়েছিলাম। তখন দেখি এত টাকা এসেছে। গ্যাসের লোক বলছে, ‘আমরা বলতে পারব না।’ ব্যাঙ্কে যেতে ম্যানেজারের বললেন, ‘আমরা বলতে পারব না। এখন যাও।’ ভয় লাগছে। আমরা গরিব মানুষ। খেটে খাই।”

Loading...
Unable to load recommendations.
Follow Us