পাথরপ্রতিমা: পাথরপ্রতিমায় তৃণমূল পঞ্চায়েত সদস্যাকে বিবস্ত্র করে হেনস্থার অভিযোগ উঠল। অভিযোগ, পঞ্চায়েতের সাধারণ সভা চলাকালীন তৃণমূলের এক সদস্যকে মারধরের অভিযোগ ওঠে বিজেপির কয়েক জন মহিলা সমর্থকের বিরুদ্ধে। তার প্রতিবাদ করতে গিয়েই ওই পঞ্চায়েত সদস্যা হেনস্থার শিকার হন বলে অভিযোগ। পঞ্চায়েত সদস্যার উপর প্রথমে বেশ কয়েকজন চড়াও হন বলে অভিযোগ। তারপরই পঞ্চায়েক সদস্যাকে পঞ্চায়েত অফিসের ভিতর থেকে টেনে হিঁচড়ে বাইরে এনে বিবস্ত্র করে হেনস্থা করা হয় বলে অভিযোগ। যদিও হামলার অভিযোগ অস্বীকার করেছে বিজেপি।
তৃণমূলের ওই নির্যাতিতা পঞ্চায়েত সদস্যার অভিযোগ, “বিডিও সাহেবকে বলব আমার বিরুদ্ধে কোনও অভিযোগ নেই। পাথরপ্রতিমা গ্রাম পঞ্চায়েতের একজনও বলতে পারবে না যে আমি কোনও কাটমানি নিয়েছি কিংবা কোনও টাকার সঙ্গে জড়িত। কয়েকদিন আগে বিজেপির কিছু ছেলে আমাকে বিজেপিতে যোগদানের কথা বলেছিল। আমি বলেছিলাম আমার দেহে প্রাণ থাকতে বিজেপি করব না। আমি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ভালোবাসি। এই প্রতিবাদ করার জন্য আমার শাড়ি খুলে চারপাশে বিবস্ত্র করে উলঙ্গ অবস্থায় ঘুরিয়েছে। কোথায় মহিলাদের নিরাপত্তা?”
বিজেপির রাজ্য কমিটি প্রদ্যুত বৈদ্য বলেন, “তৃণমূলের জেতা যে সদস্যা বা সঞ্চালিকা ভদ্রমহিলা যে অভিযোগ করছে, তার সঙ্গে বিজেপির কোনও কার্যকর্তা বা কোনও কর্মী বা কোনও সমর্থক কেউ যুক্ত নয়। তবে ওখান থেকে খবরটা পাওয়া গিয়েছে যে ওই ভদ্রমহিলার নামে ভুরি ভুরি অভিযোগ রয়েছে। পাহাড়প্রমাণ অভিযোগ। এমনও হুমকি দিয়েছিল যে লক্ষ্মীর ভান্ডার দেব না, কেটে দেব। যদি এরকম কোনও ঘটনা ঘটে থাকে, তাহলে তা জনতার ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ। বিজেপির কেউ জড়িত নয়। পুলিশ তদন্ত করুক। দেখুক কারা জড়িত।”
এদিকে, মমতা পন্থী তৃণমূলের দাবি, “আমাদের সদস্যরা থানায় অভিযোগ করেছেন। বিজেপি সাধারণ মানুষের নামে চালিয়ে দিতে চাইছে। বিজেপির নেতৃত্বরা এটাই করছে।”
পাথরপ্রতিমা: পাথরপ্রতিমায় তৃণমূল পঞ্চায়েত সদস্যাকে বিবস্ত্র করে হেনস্থার অভিযোগ উঠল। অভিযোগ, পঞ্চায়েতের সাধারণ সভা চলাকালীন তৃণমূলের এক সদস্যকে মারধরের অভিযোগ ওঠে বিজেপির কয়েক জন মহিলা সমর্থকের বিরুদ্ধে। তার প্রতিবাদ করতে গিয়েই ওই পঞ্চায়েত সদস্যা হেনস্থার শিকার হন বলে অভিযোগ। পঞ্চায়েত সদস্যার উপর প্রথমে বেশ কয়েকজন চড়াও হন বলে অভিযোগ। তারপরই পঞ্চায়েক সদস্যাকে পঞ্চায়েত অফিসের ভিতর থেকে টেনে হিঁচড়ে বাইরে এনে বিবস্ত্র করে হেনস্থা করা হয় বলে অভিযোগ। যদিও হামলার অভিযোগ অস্বীকার করেছে বিজেপি।
তৃণমূলের ওই নির্যাতিতা পঞ্চায়েত সদস্যার অভিযোগ, “বিডিও সাহেবকে বলব আমার বিরুদ্ধে কোনও অভিযোগ নেই। পাথরপ্রতিমা গ্রাম পঞ্চায়েতের একজনও বলতে পারবে না যে আমি কোনও কাটমানি নিয়েছি কিংবা কোনও টাকার সঙ্গে জড়িত। কয়েকদিন আগে বিজেপির কিছু ছেলে আমাকে বিজেপিতে যোগদানের কথা বলেছিল। আমি বলেছিলাম আমার দেহে প্রাণ থাকতে বিজেপি করব না। আমি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ভালোবাসি। এই প্রতিবাদ করার জন্য আমার শাড়ি খুলে চারপাশে বিবস্ত্র করে উলঙ্গ অবস্থায় ঘুরিয়েছে। কোথায় মহিলাদের নিরাপত্তা?”
বিজেপির রাজ্য কমিটি প্রদ্যুত বৈদ্য বলেন, “তৃণমূলের জেতা যে সদস্যা বা সঞ্চালিকা ভদ্রমহিলা যে অভিযোগ করছে, তার সঙ্গে বিজেপির কোনও কার্যকর্তা বা কোনও কর্মী বা কোনও সমর্থক কেউ যুক্ত নয়। তবে ওখান থেকে খবরটা পাওয়া গিয়েছে যে ওই ভদ্রমহিলার নামে ভুরি ভুরি অভিযোগ রয়েছে। পাহাড়প্রমাণ অভিযোগ। এমনও হুমকি দিয়েছিল যে লক্ষ্মীর ভান্ডার দেব না, কেটে দেব। যদি এরকম কোনও ঘটনা ঘটে থাকে, তাহলে তা জনতার ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ। বিজেপির কেউ জড়িত নয়। পুলিশ তদন্ত করুক। দেখুক কারা জড়িত।”
এদিকে, মমতা পন্থী তৃণমূলের দাবি, “আমাদের সদস্যরা থানায় অভিযোগ করেছেন। বিজেপি সাধারণ মানুষের নামে চালিয়ে দিতে চাইছে। বিজেপির নেতৃত্বরা এটাই করছে।”