
ব্যারাকপুর: দূষণ-মুক্ত। যানজটের ঝামেলা নেই। সুন্দর প্রাকৃতিক দৃশ্য উপভোগ করতে করতে অফিস যাচ্ছেন। তাও আবার আধঘণ্টার পথ পৌঁছে যাচ্ছেন ১৫ থেকে ২০ মিনিটের মধ্যে। ভাবছেন কীভাবে সম্ভব? রাজ্য সরকারের তরফে পরিবহন ব্যবস্থায় বড় উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। খুব শীঘ্রই চালু হচ্ছে ওয়াটার ট্যাক্সি। ঘোষণা করলেন রাজ্যের পরিবহন মন্ত্রী অর্জুন সিং (Arjun Singh)।
ট্যাক্সি বললেই চোখের সামনে একটা হলুদ কিংবা সাদা চারচাকার ছবি ভেসে ওঠে। কিন্তু, সেই ট্যাক্সির সঙ্গেই যখন জুড়ে যায় ওয়াটার? বিষয়টা ঠিক কীরকম? ওয়াটার ট্যাক্সি (Water Taxi) হল জলযান। গঙ্গাবক্ষে এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্তে ছুটে যাবে এই বিশেষ ট্যাক্সি। যানজটের ঝামেলা থাকবে না। সময় লাগবে কম। উল্টোরথের দিন ভাটপাড়ায় খুঁটিপুজোর উদ্বোধনে এসে এই বিষয়ে পরিবহন মন্ত্রী অর্জুন সিং জানিয়েছেন, সড়ক পথে যানজট এবং যাত্রী সাচ্ছন্দ্যকে প্রাধান্য দিতে বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তাঁর কথায়, “জলপথ যদি উন্নত না করি, শহরের ট্র্যাফিক চাপ কমবে না।” এরপরই ওয়াটার ট্যাক্সির ঘোষণা করেন তিনি। ওয়াটার ট্যাক্সির পাশাপাশি দূরপাল্লার ভেসেলও চালুর পরিকল্পনা রয়েছে।
একাধিক রুটে ওয়াটার ট্যাক্সি চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। পরিবহন মন্ত্রী জানিয়েছেন, ব্যারাকপুর থেকে বাবুঘাট, মেটিয়াবুরুজ থেকে বাবুঘাট। তালিকায় রয়েছে হাওড়া, বালি। রুট আরও বাড়ানো হতে পারে।
ওয়াটার ট্যাক্সি চালু ঘোষণার পর খুশি নিত্যযাত্রীরাও। তাঁদের কথায়, সময় যেমন বাঁচবে, তেমনই যানজটের দুর্ভোগও এড়ানো যাবে। সময়ে কাজে পৌঁছনো যাবে। জলপথে পরিবহনের আরও একটা বিকল্পও তৈরি হবে।
দুর্গাপুজোর আগেই রাস্তায় নামবে ৫০০টি নতুন সরকারি বাস। এছাড়া, আগামী বছর মার্চ মাসের মধ্যে এক হাজার সরকারি বাস চালুর ঘোষণা করেছেন অর্জুন সিং। এই বিষয়ে অর্জুন বলেন, “অনেক সময়ে যাত্রীরা ট্রেনের টিকিট পান না। উন্নত বাস পরিষেবা থাকলে যাত্রীরা সহজেই গন্তব্যে পৌঁছতে পারবেন। তাই বাসের সংখ্যা বাড়ানো হচ্ছে।”