
রায়গঞ্জ: মারাত্মক গরম। উত্তরবঙ্গ বা দক্ষিণবঙ্গ তীব্র গরমে মারা যাচ্ছে একের পর এক মুরগী। ফার্মের ভিতরেই মারা যাচ্ছে মুরগীগুলি। ফ্যান চালিয়ে, জল স্প্রে করে মুরগী বাঁচানোর আপ্রাণ চেষ্টা করছেন ফার্মের মালিকরা। তাতেও রক্ষে হচ্ছে না। এ দিকে লাগাতার মুরগীর মৃত্যুতে কি বাড়তে পারে চিকেনের দাম? উঠছে প্রশ্ন।
দু সপ্তাহ আগে মাংসের দাম ছিল ২০০-২২০ টাকা/কিলো। এখন দাম বেড়ে ২৮০-৩০০ টাকা/কিলো। কার্যত গরমের পাশাপাশি মুরগীর মাংস কিনতেও হাঁসফাস অবস্থা সাধারণ মানুষের। আরও দাম বাড়তে পারে আশঙ্কা করছেন রায়গঞ্জ ব্লকের বিভিন্ন এলাকায় পোল্ট্রি ফার্মের মালিক ও মাংস বিক্রেতারা।
মূলত খাসির মাংসের দাম ৮০০-৮৫০ টাকা/কিলো হওয়াতে মুরগীর মাংসের চাহিদা বেড়েছে। কিন্তু গরমে ফার্মে মুরগী ঠিকঠাকভাবে খাচ্ছে না বলে বেড়েও উঠছে না। অনেক মুরগী গরম সহ্য করতে না পেরে ফার্মেই মরে যাচ্ছে। মুরগী মরে যেতে পারে এই আশঙ্কায় অল্প সংখ্যায় মুরগী কিনছেন মাংস বিক্রেতারা। কার্যত বাজারে মুরগীর মাংসের দামে যে বিরাট প্রভাব পড়ছে তার জন্য লাগাতার ৪১-৪২ ডিগ্রি তাপমাত্রার সঙ্গে লু কেই দায়ী করছেন ব্যবসায়ীরা।
এক ফার্মের জাহির আলি বলেন, “দাম বাড়ছে মাংসের। ২৮০ থেকে ৩০০-র মধ্যে দাম। পাঠার মাংস খেতে পারি না। পোলট্রি মুরগীই এতদাম দিয়ে খেতে হচ্ছে। মাংস কিনতে পারছি না।”