
কলকাতা: রাজ্যজুড়ে চলছে ডিম থেরাপি! অনেকেই বলছেন, যে হারে চাহিদা বাড়ছে তাতে পচা ডিম গচ্ছিত করে রাখছেন বিক্রেতারা। এদিকে আবার হু হু করে বাড়ছে ডিমের দাম, পকেটে টান পড়ছে মধ্যবিত্তদের। গত দুই সপ্তাহে লাগাম ছাড়া দাম বৃদ্ধিতে রীতিমতো নাভিশ্বাস উঠছে আম জনতার। ডিমের দাম বাড়ার ফলে কিছুটা হলেও কাটছাঁট করতে হচ্ছে বাড়ির হেঁসেলেও। এরইমধ্যে ডিমের দাম বাড়ার পিছনে অনেকগুলি কারণ লক্ষ করছেন ক্রেতা থেকে বিক্রেতারা।
গত দুই সপ্তাহে খুচরো বাজারে ডিম বিক্রি হচ্ছে ৬ টাকা থেকে সাড়ে ৬ টাকা প্রতি পিস। এখন সেই খুচরো ডিম বিক্রি হচ্ছে ৭ টাকা থেকে সাড়ে ৭ টাকা প্রতি পিস। গত দুই সপ্তাহ আগে ট্রে পতি ডিম বিক্রি হচ্ছিল ১৮০ থেকে ১৮৫ টাকায়। সেই ডিমের ট্রে করে ফেলেছে ডাবল সেঞ্চুরি। বিক্রি হচ্ছে ২১০ টাকায়। জেলায় জেলায় পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার, ঘাটাল চন্দ্রকোনা সহ বিভিন্ন বাজারে একই ছবি দেখা যাচ্ছে। কিন্তু কেন এত দাম?
কেউ বলছেন রাজ্য জুড়ে ডিম থেরাপি চলছে তাই বাজারে ডিমের চাহিদা থাকায় বাড়ছে ডিমের দাম। কেউ আবার বলছেন অত্যধিক গরমের কারণে প্রোডাকশন কম, তাই ডিমের দামে আগুন। দোকানে ডিম কিনতে এসেছিলেন সৃতনু চৌধুরী। খানিক হাসতে হাসতেই তিনি বলছেন, “কেন এত বাড়ছে বুঝতে পারছি না। অনেকে তো আবার বলছে পচা ডিমের দাম বেশি। তবে গরমের জন্য়ও ডিমের প্রোডাকশন তো অনেক কমে যায়। সেই জন্যও ডিমের দাম বাড়তে পারে।”
ডিম বিক্রেতা সুকুমার অধিকারী যদিও বলছেন, “কয়েকদিন আগেও তো ট্রেয়ের দাম অনেক কম ছিল। এখন তো ২০০ ছাড়িয়ে গিয়েছে। আগে পিস যেখানে ৬টাকায় ছিল সেটাই এখন সাড়ে সাত টাকা। আসলে মার্কেটে ডিম কম আছে। প্রোডাকশন কমেছে। ডিম ছোড়া হচ্ছে বলে যেটা সবাই বলছে ওটা ফ্য়াক্টর নয়। আসলে নতুন মুরগি ফার্মে এখন অনেক বেশি। তারা তবে সব ডিম দিতে শুরু করেছে। ফলে সামগ্রিকভাবে ঘাটতি আছে। এই সময় এমনিতে এত বাড়ে না। এ বছর দাম অনেক বেড়ে গেল।”