
তাইপেই: এপ্রিলের গোড়াতেই ভয়াবহ ভূমিকম্পে কেঁপে উঠেছিল তাইওয়ান। ভূমিকম্প এতটাই জোরাল ছিল যে সুনামির সতর্কতাও জারি করা হয়। মাসের শুরুর সেই ভূমিকম্পের রেশ কাটিয়ে ওঠার আগেই ফের ধাক্কা। আবারও জোরাল ভূমিকম্পে কাঁপল তাইওয়ান। তাও আবার একবার নয়, পরপর দুইবার। দুটি ভূমিকম্পই শক্তিশালী ছিল।
শনিবার মধ্য রাতে তাইওয়ানের পূর্বে অবস্থিত হুয়ালিনে শক্তিশালী ভূমিকম্প অনুভূত হয়। রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৬.১। এতটাই জোরে ভূমিকম্প হয় যে তাইওয়ানের রাজধানী তাইপেই অবধিও ভূমিকম্প অনুভূত হয়। ভূপৃষ্ঠ থেকে ২৪.৯ কিলোমিটার গভীরে কম্পনের উৎসস্থল ছিল বলে জানা গিয়েছে।
এর আধ ঘণ্টা পরেই দ্বিতীয় ভূমিকম্প হয়। এবার রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৫.৮। প্রথম কম্পনটি ফিলিপিন্স সাগরের গভীরে হয়, দ্বিতীয় কম্পনটির উৎস আবার ছিল হুয়ালিন উপকূল সাগরের ১৮.৯ কিলোমিটার গভীরে। হুয়ালিন ছাড়াও ইলান, নানতুও, হশিনচু, তাইচুং, তাওউয়ান ও নিউ তাইপেই-তেও ভূমিকম্প অনুভূত হয়।
ভূমিকম্পে এখনও অবধি কোনও ক্ষয়ক্ষতি বা প্রাণহানির খবর মেলেনি। তবে জোরাল ভূমিকম্প হওয়ায়, একাধিক জায়গায় বাড়িঘরে ক্ষয়ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল। মধ্য রাতে ঘুমের মধ্যে ভূমিকম্প অনুভূত হতেই হাজার হাজার মানুষ ভয়ে-আতঙ্কে পথে বেরিয়ে আসেন।
প্রসঙ্গত, চলতি মাসের ৩ তারিখেই ভয়ঙ্কর ভূমিকম্প হয়েছিল তাইওয়ানে। রিখটার স্কেলে সেই কম্পনের মাত্রা বা তীব্রতা ছিল ৭.২, যা বিগত ২৫ বছরে সবথেকে শক্তিশালী ভূমিকম্প। ওই ভূমিকম্পে কমপক্ষে ১৭ জনের মৃত্যু হয়েছিল। হাজার হাজার বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। এরপর থেকে এখনও পর্যন্ত ১ হাজারেও বেশি আফটার শক অনুভূত হয়েছে তাইওয়ানে।