
তেহরান: চোখ বন্ধ। খোলা কফিনে শুয়ে রয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump)। এমনই একটি ছবি ছড়িয়ে পড়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। দিন কয়েক আগেই প্রাণনাশের আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন ট্রাম্প (Trump in Coffin)। ইরানের হিটলিস্টে তিনিই রয়েছেন বলে দাবি করেছেন। তাহলে কি ট্রাম্পের আশঙ্কাই সত্যি হল? বাস্তবে ঠিক কী ঘটেছে জানেন?
সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছে যে ছবি, সেই একই ছবি দেখা গিয়েছে ইরানের রাজধানীতে। বড় হোর্ডি আকারে। তেহরানের এঙ্গেলাব স্কোয়ারে জ্বলজ্বল করছে ওই হোর্ডিং। সেখানেই দেখা গেল একটি খোলা কফিনে শুয়ে রয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। তাতে বড় বড় অক্ষরে ফার্সি ও ইংরেজি ভাষায় লেখা রয়েছে—”We Will Kill Trump”(আমরা ট্রাম্পকে হত্যা করব)। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের দাবি, এই হোর্ডিং ইরানের রাজনৈতিক বার্তারই অংশ।
ফেব্রুয়ারিতে আমেরিকা-ইজরায়েলের সঙ্গে সংঘাত শুরু হওয়ার পর থেকেই তেহরানের বিভিন্ন এলাকায় যুদ্ধ এবং রাজনৈতিক বার্তাসম্বলিত বিশাল বিলবোর্ড লাগানো হয়েছে। ইরান দীর্ঘদিন ধরেই জনবহুল অঞ্চলকে রাজনৈতিক প্রচারের মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করে আসছে। হোর্ডিংয়ে প্রয়াত প্রাক্তন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেই-কে (প্রতিবেদনে এমনই দাবি করা হয়েছে) শহিদ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। পাশাপাশি দক্ষিণ ইরানের মিনাব শহরের মৃত শিশুদের স্মরণেও বার্তা রয়েছে।
এটাই প্রথম নয়। চলতি বছরের মে মাসেও তেহরানে একটি বিলবোর্ডে ট্রাম্পকে নিশানা করা হয়েছিল। যেখানে হরমুজ় প্রণালী দিয়ে ট্রাম্পের মুখ সেলাই করা অবস্থায় দেখানো হয়েছিল এবং লেখা ছিল ‘দ্য ব্রেকিং পয়েন্ট’। আরেকটি বিলবোর্ডে পারস্য উপসাগরে বিশাল জালের মধ্যে মার্কিন যুদ্ধবিমান, ড্রোন ও নৌযান আটকে থাকার ছবি দেখিয়ে ইরানের সামরিক শক্তির বার্তা দেওয়া হয়েছিল।
দিন কয়েক আগেই মৃত্যুর আশঙ্কার প্রকাশ করেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। এই বিষয়ে ট্রাম্প বলেন, “আমি দীর্ঘদিন ধরেই ওদের তালিকায় আছি। আমরা এদেরকেই সামলাচ্ছি…আমি আগে থেকেই নির্দেশ দিয়ে রেখেছি, যদি কিছু হয়, তাহলে ওদের (ইরান) উপরে এমন মাত্রায় বোমা বর্ষণ করতে যা আগে কখনও দেখেনি।”