Donald Trump: নারী-পুরুষ বাদে অন্য লিঙ্গকে স্বীকৃতি দেবেন না ট্রাম্প? আটকে দেওয়া হচ্ছে তৃতীয় লিঙ্গের পাসপোর্ট-আবেদন!

US Government: মার্কিন স্টেট সেক্রেটারি মার্কো রুবিও সকলকে ইমেইল করে জানিয়েছেন, "আমেরিকার নীতি হল কোনও ব্যক্তির লিঙ্গ পরিবর্তন করা যায় না"। যারা নিজেদের লিঙ্গ-নিরপেক্ষ বা নন-বাইনারি বলে পরিচয়  দেন, তাদের পাসপোর্টের আবেদন স্থগিত করে দেওয়া হয়েছে।

Donald Trump: নারী-পুরুষ বাদে অন্য লিঙ্গকে স্বীকৃতি দেবেন না ট্রাম্প? আটকে দেওয়া হচ্ছে তৃতীয় লিঙ্গের পাসপোর্ট-আবেদন!
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।Image Credit source: PTI

|

Jan 25, 2025 | 1:14 PM

ওয়াশিংটন: দ্বিতীয়বার মসনদে ট্রাম্প। আর ক্ষমতায় বসেই বদলে দিচ্ছেন আমেরিকাকে। এবার দেশের নীতিতে বিরাট পরিবর্তন ঘটালেন ট্রাম্প। জায়গা থাকল না নারী পুরুষ বাদে তৃতীয় কোনও লিঙ্গের। নতুন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সাফ জানিয়েছেন, দুটি লিঙ্গকেই স্বীকৃতি দেওয়া হবে। নারী এবং পুরুষ। এটাই জৈবিক সত্য। এর বাইরে কোনও লিঙ্গকে স্বীকৃতি দেওয়া হবে না। জানা গিয়েছে, ইতিমধ্যেই ট্রাম্প প্রশাসন সমস্ত পাসপোর্টের আবেদন আটকে দিয়েছে যাদের লিঙ্গে ‘X’ মার্ক করা বা পাসপোর্টে লিঙ্গ পরিবর্তনের আবেদন করেছিলেন।

মার্কিন স্টেট সেক্রেটারি মার্কো রুবিও সকলকে ইমেইল করে জানিয়েছেন, “আমেরিকার নীতি হল কোনও ব্যক্তির লিঙ্গ পরিবর্তন করা যায় না”। যারা নিজেদের লিঙ্গ-নিরপেক্ষ বা নন-বাইনারি বলে পরিচয়  দেন, তাদের পাসপোর্টের আবেদন স্থগিত করে দেওয়া হয়েছে।

ট্রাম্প প্রশাসনের নতুন নির্দেশে বলা হয়েছে, পাসপোর্ট, ভিসা, জন্ম প্রমাণপত্রে একমাত্র নারী বা পুরুষ লিঙ্গই থাকবে। এর বাইরে অন্য কিছু স্বীকৃতি পাবে না। হোয়াইট হাউস ‘X’ লিঙ্গের মানুষদের স্বীকৃতি থাকলেও, স্টেট ডিপার্টমেন্ট সাফ জানিয়েছে, নতুন নীতিতে জটিলতার মুখে পড়তে হবে তাদের।

কী এই ‘X’ লিঙ্গ?

যারা নিজেদের নারী-পুরুষ বা অন্য কোনও লিঙ্গে চিহ্নিত করতে চান না, তারা নন-বাইনারি হিসাবে পরিচয় দেন। এছাড়া যারা লিঙ্গ পরিবর্তন করেছেন, তাদেরও ‘X’ লিঙ্গ হিসাবে চিহ্নিতকরণের সুবিধা দিয়েছিল মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্ট। ২০২২ সালের এপ্রিল মাস থেকে এই নীতি চালু ছিল।  ট্রাম্প ক্ষমতায় এসেই সেই নিয়ম উঠিয়ে দিচ্ছেন। নতুন প্রশাসনের যুক্তি, ‘জেন্ডার’ নয়, ‘সেক্স’ হল কোনও ব্যক্তিকে চিহ্নিতকরণের সঠিক বিভজন।

ট্রাম্প প্রশাসনের এই সিদ্ধান্ত নিয়ে ইতিমধ্যেই সমালোচনার ঝড় উঠেছে। বিশেষ করে LGBTQ+ দের তরফে থেকে ট্রাম্পের এই সিদ্ধান্তের তীব্র বিরোধিতা করা হয়েছে।

Follow Us