
নয়া দিল্লি: ২০০০ ফুট চওড়া হিমবাহ টুকরো লাফিয়ে পড়েছিল নীচে। আর তারপর এত বড় অঘটন। ‘জলবোমা’য় তছনছ নেপাল। নীল আকাশের নিচে এমন আচমকা বিপর্যয়ে ধ্বংস নেপালের (Nepal) একের পর এক শহর। ‘শহরের পর শহর পুরো নিশ্চিহ্ন হয়ে গিয়েছে…’ জানালেন নেপালের বিদেশমন্ত্রী শিশির খানাল।
নেপালের বিদেশ মন্ত্রী জানান, ইতিমধ্যেই নিখোঁজ হয়ে গিয়েছেন ৩০০ ভারতীয়। ১০০০ উপর মানুষের খোঁজ নেই, জানালেন নেপালের বিদেশমন্ত্রী। জানা যাচ্ছে, ৩৫ জন ভারতীয়র কোনও খোঁজই নেই। এ দিন বিদেশমন্ত্রী শিশির খানাল বলেন, “হাজারের বেশি মানুষের খোঁজ নেই। প্রচুর মানুষের ঘরবাড়ি সব ভেঙে চুড়ে ছাড়খাড় হয়ে গিয়েছে। এর মধ্যে ৩০০ জনের মতো ভারতীয় নিখোঁজ। ৫০০ -র বেশি বিদেশি পর্যটকের সঙ্গে কোনও রকম যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। নেপাল সরকার ক্রমাগত বিভিন্ন দেশের বিদেশ মন্ত্রকের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে।”
তাঁর আরও সংযোজন, “এখন আমরা উদ্ধার কাজ চালিয়ে যাচ্ছি। অনেক দেশ এই উদ্ধারকাজে আমাদের সাহায্যে এগিয়ে এসেছে। ভারত থেকে ইতিমধ্যেই ত্রাণ সামগ্রী এসে পৌঁছেছে নেপালে।” বুধবার মাত্র ৪.৪ মাত্রার ভূমিকম্প হয়। সেই সময় মাটি কেঁপে উঠতেই ধপাস করে মাটিতে আছড়ে পড়ে হিমবাহ। ২০০০ ফুট চওড়া হিমবাহ-টুকরো সটান ৪০০০ ফুট নীচে আছড়ে পড়ে। গোটা ঘটনাটা ঘটেছে সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ১৭০০০ ফুট উঁচুতে। আর তারপর এই বিপত্তি। চোখের পলকে তছনছ হয়ে যায় সবটা। জল, বরফ, কাদা, পাথর, বোল্ডার মিশে মুহূর্তের মধ্যে ‘জলবোমা’র আকার নেয়। এরপর যেহেতু পাহাড়ি অঞ্চল তাই তীব্র গতিতে তা নেমে আসতে শুরু করে আর তখনই ভয়াবহ ঘটনা।