India-China: প্রযুক্তি ক্ষেত্রে আমদানিতে ‘নিষেধাজ্ঞা’, BRICS সম্মেলনে চিনের উপর ‘চাপ’ বাড়াতে চায় ভারত?

India China Trade Relations: টানাপোড়েনের মধ্যে ভারত ও চিনের অর্থনৈতিক সম্পর্ক ধীরে ধীরে স্বাভাবিক করার চেষ্টা চলছে। ১ সেপ্টেম্বর ভারতে নিযুক্ত চিনা রাষ্ট্রদূত বৈঠক করেন বাণিজ্য সচিব রাজেশ আগরওয়ালের সঙ্গে। দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য-সহ একাধিক বিষয় নিয়ে তাঁদের মধ্যে আলোচনা হয় বলে চিনের বিদেশ মন্ত্রক জানিয়েছে।

India-China: প্রযুক্তি ক্ষেত্রে আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা, BRICS সম্মেলনে চিনের উপর চাপ বাড়াতে চায় ভারত?
ভারতের প্রধানমন্ত্রী ও চিনের প্রেসিডেন্টImage Credit source: Tv9 Bangla

Sep 08, 2026 | 2:04 PM

নয়া দিল্লি: BRICS সম্মেলনে চিনের উপর ‘চাপ’ বাড়াতে চায় ভারত? দীর্ঘদিন দুই দেশের সম্পর্কে টানাপোড়েন চলছিল। তবে, এবার ব্রিকস সম্মেলনকে লক্ষ্য করে ভারত ও চিনের (India-China) মধ্যে অর্থনৈতিক সম্পর্ক ফের মজবুত করার চেষ্টা চলছে বলে সূত্রের খবর। কিন্তু, ব্রিকস সম্মেলনের ফাঁকেই চিনের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে বেশ কিছু দাবি তুলতে চায় ভারত। মূলত চিন থেকে গুরুত্বপূর্ণ প্রযুক্তি ও যন্ত্রাংশ আমদানির ক্ষেত্রে একাধিক বাধার মুখে পড়তে হচ্ছে ভারতীয় সংস্থাগুলিকে। আগামী ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর নয়া দিল্লিতে আয়োজিত BRICS সম্মেলনে বেজিংয়ের সামনে সেই বিষয়টি তুলতে পারে ভারত।

দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, চিনের সঙ্গে বাণিজ্য ও বিনিয়োগের ক্ষেত্রে কী কী প্রতিবন্ধকতা রয়েছে, তা নিয়ে ইতিমধ্যেই বিভিন্ন শিল্পক্ষেত্রের প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনা শুরু করেছে কেন্দ্র। BRICS সম্মেলনে চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে। সেই সময় প্রেসিডেন্টের সঙ্গে আলোচনায় এই বিষয়গুলি উঠে আসতে পারে।

কী নিয়ে আপত্তি ভারতের?

মূলত চিন থেকে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পণ্য ও প্রযুক্তি রফতানির ক্ষেত্রে বিধিনিষেধ এবং পদ্ধতিগত জটিলতা নিয়ে উদ্বিগ্ন ভারত। রেয়ার আর্থ ম্যাগনেট (Rare earth Magnet)-সহ একাধিক প্রযুক্তিগত ক্ষেত্রে আমদানি নিষেধাজ্ঞার প্রত্যাহার চায় ভারত। একইসঙ্গে নয়া দিল্লির দাবি, ভারতীয় বিনিয়োগে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করুক চিন। সেই লক্ষ্যে ব্রিকস সম্মেলনের ফাঁকে চিনা প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠকে বসতে পারেন ভারতের শিল্প এবং বাণিজ্য মন্ত্রকের শীর্ষ আধিকারিকরা। প্রসঙ্গত, ক্রিটিকাল টেকনোলজি এবং স্পেশালাইজড কম্পোনেন্ট আমদানির ক্ষেত্রে ভারতের উপর একাধিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে রেখেছে চিন। এর ফলে ভারতের অটোমোবাইল এবং ম্যানুফ্যাকচারিং ক্ষেত্রে সমস্যার সম্মুখীন হতে হচ্ছে ভারতকে।

ভারত-চিনের সম্পর্কের বরফ কি গলবে?

টানাপোড়েনের মধ্যে ভারত ও চিনের অর্থনৈতিক সম্পর্ক ধীরে ধীরে স্বাভাবিক করার চেষ্টা চলছে। ১ সেপ্টেম্বর ভারতে নিযুক্ত চিনা রাষ্ট্রদূত বৈঠক করেন বাণিজ্য সচিব রাজেশ আগরওয়ালের সঙ্গে। দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য-সহ একাধিক বিষয় নিয়ে তাঁদের মধ্যে আলোচনা হয় বলে চিনের বিদেশ মন্ত্রক জানিয়েছে।

চিনের ক্ষেত্রে বিধিনিষেধ শিথিল করেছে ভারত

দুই দেশের বাণিজ্যেও অগ্রগতির ইঙ্গিত মিলেছে। সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এপ্রিল থেকে জুনের মধ্যে চিনে ভারতের রফতানি এক বছর আগের তুলনায় ২৮ শতাংশেরও বেশি বেড়ে ৫.৫৫ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে।একইসঙ্গে চিনা বিনিয়োগ ও সংস্থাগুলির ক্ষেত্রে নিজেদের কিছু বিধিনিষেধও শিথিল করেছে ভারত।

Loading...
Unable to load recommendations.
Follow Us