ইসলামাবাদ: কিছু একটা ঘটতে চলেছে। মঙ্গলবার মোদীর বাসভবনে হওয়া বৈঠকের পর থেকেই দেশের অলিতেগলিতে তৈরি হয়েছে ‘সম্ভবনার’ আবহ। সূত্রের খবর, জরুরি বৈঠকে বসে সেনাবাহিনীকে ‘পূর্ণ স্বাধীনতা’ দিয়েছেন মোদী। তারপর থেকে ‘ভয়ে ভয়ে’ পাকিস্তান। মোদীর এক বার্তায় থরহরিকম্প পড়শি দেশে।
এই আবহেই বুধবার সাত সকালে বড় আশঙ্কার কথা বলে দিলেন পাকিস্তানের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী আতাউল্লাহ তারার। কী জানালেন তিনি? পাক সংবাদসংস্থা ‘ডন’-এর একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সেনা নিয়ে বড় হামলা করতে পারে ভারত, দাবি পাক তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রীর।
মন্ত্রীর আরও জানিয়েছেন, ‘গোপন সূত্রে আমরা খবর পেয়েছি ভারত সম্ভবত ২৪ থেকে ৩৬ ঘণ্টার মধ্যেই পাকিস্তানের বিরুদ্ধে সেনা অ্যাকশনে নামতে পারে। আমরা তাদের বারংবার জানিয়েছি, এই গোটা হামলার সঙ্গে পাকিস্তানের কোনও সম্পর্ক নেই। কিন্তু তারপরেও প্রকাশ্যে আসছে এমন তথ্য।’
উল্লেখ্য, পহেলগাঁও হামলার পর থেকেই নতুন করে বিষিয়ে গিয়েছে দুই দেশের সম্পর্ক। হামলার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে পাক সরকারের বিরুদ্ধে ‘কূটনৈতিক যুদ্ধে’ নেমেছিল ভারত। স্থগিত করে দিয়েছিল সিন্ধু জলবন্টন চুক্তি। আপাতত ভাবে বন্ধ হয়েছে দুই দেশের সীমানা। শীর্ষ নেতৃত্ব ও আধিকারিকদের মধ্যে দফায় দফায় চলেছে বৈঠক। এমনকি, বুধেও ফের একবার বৈঠকে বসতে চলেছে মন্ত্রিসভার নিরাপত্তা কমিটি। তার আগেই এমন সম্ভবনার কথা বলছে পাকিস্তান।
ইসলামাবাদ: কিছু একটা ঘটতে চলেছে। মঙ্গলবার মোদীর বাসভবনে হওয়া বৈঠকের পর থেকেই দেশের অলিতেগলিতে তৈরি হয়েছে ‘সম্ভবনার’ আবহ। সূত্রের খবর, জরুরি বৈঠকে বসে সেনাবাহিনীকে ‘পূর্ণ স্বাধীনতা’ দিয়েছেন মোদী। তারপর থেকে ‘ভয়ে ভয়ে’ পাকিস্তান। মোদীর এক বার্তায় থরহরিকম্প পড়শি দেশে।
এই আবহেই বুধবার সাত সকালে বড় আশঙ্কার কথা বলে দিলেন পাকিস্তানের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী আতাউল্লাহ তারার। কী জানালেন তিনি? পাক সংবাদসংস্থা ‘ডন’-এর একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সেনা নিয়ে বড় হামলা করতে পারে ভারত, দাবি পাক তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রীর।
মন্ত্রীর আরও জানিয়েছেন, ‘গোপন সূত্রে আমরা খবর পেয়েছি ভারত সম্ভবত ২৪ থেকে ৩৬ ঘণ্টার মধ্যেই পাকিস্তানের বিরুদ্ধে সেনা অ্যাকশনে নামতে পারে। আমরা তাদের বারংবার জানিয়েছি, এই গোটা হামলার সঙ্গে পাকিস্তানের কোনও সম্পর্ক নেই। কিন্তু তারপরেও প্রকাশ্যে আসছে এমন তথ্য।’
উল্লেখ্য, পহেলগাঁও হামলার পর থেকেই নতুন করে বিষিয়ে গিয়েছে দুই দেশের সম্পর্ক। হামলার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে পাক সরকারের বিরুদ্ধে ‘কূটনৈতিক যুদ্ধে’ নেমেছিল ভারত। স্থগিত করে দিয়েছিল সিন্ধু জলবন্টন চুক্তি। আপাতত ভাবে বন্ধ হয়েছে দুই দেশের সীমানা। শীর্ষ নেতৃত্ব ও আধিকারিকদের মধ্যে দফায় দফায় চলেছে বৈঠক। এমনকি, বুধেও ফের একবার বৈঠকে বসতে চলেছে মন্ত্রিসভার নিরাপত্তা কমিটি। তার আগেই এমন সম্ভবনার কথা বলছে পাকিস্তান।