
নয়া দিল্লি: ট্রাফিক ফাইন (Traffic Fine) কত হতে পারে? ১০০, ২০০, ৫০০, ১০০০ বা ৫ হাজার বা তারও বেশি? লাখ তো নিশ্চয় হয় না। কিন্তু, সত্যি যদি কেউ লাখ টাকার ফাইন পেয়ে থাকেন? অবাক হচ্ছেন? সেরকমটাই ঘটেছে এক ব্যক্তির সঙ্গে। প্রায় দেড় লক্ষ টাকার ট্রাফিক জরিমানার নোটিস (Traffic Fine Notice) পেয়েছেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় এমনই এক অদ্ভুত অভিজ্ঞতা সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করেছেন ওই ব্যক্তি। এদিকে, সেই ঘটনা সামনে আসতেই হইচই পড়ে গিয়েছে।
ওই ব্যক্তির নাম পোয়ান সাপদি। তাঁর কাছে এই নোটিস এসেছে সুদূর বিদেশ থেকে। এক বছর আগে তিনি সুইজারল্যান্ডে (Switzerland) বেড়াতে গিয়েছিলেন। সেখান থেকেই তাঁকে নোটিস পাঠানো হয়েছে। ঠিক কী হয়েছে? এক্স হ্যান্ডেলে পোয়ান সাপদি লেখেন,”সুইজারল্যান্ডে ছুটি কাটিয়ে ফেরার কয়েক মাস বা এক বছর পরে কেউ কি ট্রাফিক জরিমানার নোটিস পেয়েছেন? আমরা প্রায় ১ লক্ষ টাকার একটি রিসিপ্ট পেয়েছি। জানতে চাই, এই ফাইনের বিরুদ্ধে আবেদন বা ফাইন মকুব করার কোনও সুযোগ আছে কি না।”
নিজের এই অভিজ্ঞতা শেয়ার করে তিনি সকলের সাহায্য চেয়েছেন। এরকম কোনও ঘটনা কারও সঙ্গে ঘটলে, তাঁদের পরামর্শ চেয়েছেন। লেখেন,”এরকম পরিস্থিতির মুখোমুখি কেউ হয়ে থাকলে বা প্রক্রিয়াটি সম্পর্কে জানলে দয়া করে জানান। যেকোনও সাহায্যই আমাদের কাছে মূল্যবান।”
সোশ্যাল মিডিয়ার এই পোস্টটি দ্রুত ভাইরাল হয়ে যায়। ১৩ লক্ষেরও বেশি মানুষ পোস্টটি দেখেছেন। একইসঙ্গে বিদেশে গাড়ি ভাড়া নেওয়ার ক্ষেত্রে চুক্তির শর্ত এবং স্থানীয় ট্রাফিক আইন ভালোভাবে বোঝার প্রয়োজনীয়তা নিয়েও আলোচনা শুরু হয়েছে। অনেকেই মন্তব্য করেছেন, ইউরোপের বিভিন্ন দেশে ট্রাফিক আইন অত্যন্ত কঠোর। সাধারণত গাড়ি ভাড়া দেওয়া সংস্থাগুলি জরিমানার টাকা এবং অতিরিক্ত ফি সংশ্লিষ্ট গ্রাহকের কাছ থেকে আদায় করে। জরিমানা উপেক্ষা করলে ভবিষ্যতে আরও বেশি ভিসা সংক্রান্ত জটিলতার মুখে পড়তে হতে পারে।
আবারও আরও একজন মন্তব্য করেন, “আমার মতে জরিমানা মকুব হওয়ার সম্ভাবনা খুব কম। বরং দ্রুত টাকা মিটিয়ে দেওয়াই ভালো। না হলে ভবিষ্যতে ভিসা পেতে সমস্যা হতে পারে।” আরও এক ব্যক্তি পরামর্শ দিয়ে লেখেন, “সুইজারল্যান্ডে ট্রাফিক জরিমানা অত্যন্ত বেশি হয়। দ্রুত টাকা মিটিয়ে দিন, না হলে সুদ বাড়তেই থাকবে। চাইলে কিস্তিতে পরিশোধের আবেদনও করতে পারেন।”