US-Iran War:’কাউকে তেল বিক্রি করতে দেব না…’ হরমুজ নিয়ে চরম হুঁশিয়ারি ইরানের! ভুগতে হবে ভারতকেও?

Strait of Hormuz: গালিবাফের মন্তব্যের আগেই ইরানকে প্রকাশ্যে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বলেন, "হরমুজ প্রণালী দিয়ে যাতায়াতকারী কোনও জাহাজের উপর ইরান যদি ক্ষেপণাস্ত্র, রকেট, ড্রোন বা অন্য কোনও অস্ত্র দিয়ে হামলা চালায়, তবে প্রতিটি হামলার জবাবে আমেরিকা ইরানের একটি করে সেতু বা বিদ্যুৎকেন্দ্র ধ্বংস করবে।"

US-Iran War:কাউকে তেল বিক্রি করতে দেব না... হরমুজ নিয়ে চরম হুঁশিয়ারি ইরানের! ভুগতে হবে ভারতকেও?
ট্রাম্প-খামেনেইImage Credit source: Tv9 Bangla

Jul 23, 2026 | 8:47 AM

তেহরান: আর আগের অবস্থায় ফিরবে না হরমুজ প্রণালী (Strait of Hormuz)। স্পষ্ট জানিয়ে দিল ইরান (Iran-US War)। শুধু তাই নয়, তেল বিক্রি নিয়েও এবার চরম হুঁশিয়ারি তেহরানের। সেদেশের পার্লামেন্টের স্পিকার মহম্মদ বাঘের গালিবাফ (Mohammad Bagher Ghalibaf) জানিয়ে দিয়েছেন, ইরান তেল বিক্রি না করতে পারলে, কোনও দেশকেই তেল বিক্রি করতে দেওয়া হবে না। একইসঙ্গে আমেরিকাকে গালিবাফের হুঁশিয়ারি, ইরানের নিরাপত্তা নিশ্চিত না হলে কোনও পরিকাঠামোই নিরাপদে থাকবে না।

ইরানের হুঁশিয়ারি

এক্স হ্যান্ডেলে একটি পোস্ট করে হরমুজ নিয়ে ইরানের কড়া অবস্থানের বিষয়ে জানিয়েছেন গালিবাফ। লেখেন, “যে অঞ্চলে আমরা তেল বিক্রি করতে পারব না, সেখানে অন্য কোনও দেশও তেল বিক্রি করতে পারবে না। আমাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত না হলে কোনও পরিকাঠামোই নিরাপদ থাকবে না। হরমুজ প্রণালীর নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে তখনই, যখন এই অঞ্চল থেকে মার্কিন বাহিনী সরে যাবে। এই প্রণালীর পরিস্থিতি আর যুদ্ধের আগের অবস্থায় ফিরবে না।”

ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি

গালিবাফের মন্তব্যের আগেই ইরানকে প্রকাশ্যে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বলেন, “হরমুজ প্রণালী দিয়ে যাতায়াতকারী কোনও জাহাজের উপর ইরান যদি ক্ষেপণাস্ত্র, রকেট, ড্রোন বা অন্য কোনও অস্ত্র দিয়ে হামলা চালায়, তবে প্রতিটি হামলার জবাবে আমেরিকা ইরানের একটি করে সেতু বা বিদ্যুৎকেন্দ্র ধ্বংস করবে। প্রয়োজনে তেহরানের কাছাকাছি থাকা গুরুত্বপূর্ণ পরিকাঠামোকেও লক্ষ্যবস্তু করা হবে।”

টানা হামলা আমেরিকার

মার্কিন সেনাবাহিনী জানিয়েছে, ইরানের বিভিন্ন এলাকায় টানা বিমান হামলা চালানো হয়েছে। ১২তম রাতেও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের (CENTCOM)দাবি, হামলার উদ্দেশ্য হল হরমুজ প্রণালী দিয়ে যাতায়াতকারী বাণিজ্যিক জাহাজ ও নাবিকদের জন্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং আন্তর্জাতিক জলপথে স্বাভাবিক নৌ চলাচল পুনরুদ্ধার করা। পাল্টা হামলা চালিয়েছে ইরানও।

তবে, কূটনৈতিক তৎপরতা সত্ত্বেও পরিস্থিতির উন্নতির কোনও স্পষ্ট ইঙ্গিত এখনও মেলেনি। বরং উভয় পক্ষই নিজেদের অবস্থানে অনড়। বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহনের পথ হরমুজ প্রণালী কার্যত অচল থাকায় আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির দাম বাড়ছে এবং বিশ্ব অর্থনীতিতেও তার প্রভাব পড়ছে। এরই মধ্যে তেল বিক্রি নিয়ে নতুন করে ইরানের হুঁশিয়ারি আরও উদ্বেগ বাড়াচ্ছে। সত্যি যদি তেল বিক্রি বন্ধ হয়ে যায়, তাহলে বিশ্ববাণিজ্যে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। এই প্রভাব থেকে বাদ যাবে না ভারতও।

 

Follow Us