এ যেন সত্যি কিংকং। মানুষ পাশে দাঁড়ালে মনে হয় শিশু। কথা হচ্ছে বিশ্বের সবচেয়ে বড় মোষকে নিয়ে। তার উচ্চতা ৬ ফুট ৮ ইঞ্চি বা ১৮৫ সেন্টিমিটার। যা সাধারণত মোষের যা আকার হয় তার থেকে প্রায় হাফ মিটারের বেশি লম্বা কিংকং।
জন্মের সময় থেকে এই বিশাল চেহারার অধিকারী সে। তার এই অতিকায় চেহারার জন্য, গিনিস বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে নাম তুলেছে কিংকং। ‘বিশ্বের সর্ববৃহৎ জীবন্ত ওয়াটার বাফেলো’ বলে নিজের নাম তুলেছেন গিনিস বুকে। থাইল্যান্ডের নীললানি পশু খামারে ২০২১ সালের ১ এপ্রিল জন্ম হয় কিংকংয়ের। সেই সময় থেকে অনান্য মোষ শাবকদের তুলনায় আকারে অনেকটা বড় ছিল কিংকং। সেই কারণেই খামারের মালিক নাম রাখেন কিংকং।
কিংকংয়ের যত্ন আত্তিতে কোনও ত্রুটি রাখেননি পালক। তিনি জানান, প্রতিদিন কিংকংয়ের জন্য ৩৫ কিলোগ্রাম খাবার প্রয়োজন হয়। খড়ের সঙ্গে ভুট্টা, কলা খেতে খুব ভালবাসে কিংকং। অতিকায় চেহারা হলেও বেশ শান্ত স্বভাবের কিংকং। বাধ্যও বটে। খামারের মালিক জানান, অনান্য মোষদের সঙ্গে যেমন ছুটোছুটি খেলাধুলো করে, তেমনই মালিকের কথাও শোনে। এমনকি মানুষের সঙ্গে থাকতে, সময় কাটাতে, খেলতে বেশ পছন্দ করে কিংকং।
এ যেন সত্যি কিংকং। মানুষ পাশে দাঁড়ালে মনে হয় শিশু। কথা হচ্ছে বিশ্বের সবচেয়ে বড় মোষকে নিয়ে। তার উচ্চতা ৬ ফুট ৮ ইঞ্চি বা ১৮৫ সেন্টিমিটার। যা সাধারণত মোষের যা আকার হয় তার থেকে প্রায় হাফ মিটারের বেশি লম্বা কিংকং।
জন্মের সময় থেকে এই বিশাল চেহারার অধিকারী সে। তার এই অতিকায় চেহারার জন্য, গিনিস বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে নাম তুলেছে কিংকং। ‘বিশ্বের সর্ববৃহৎ জীবন্ত ওয়াটার বাফেলো’ বলে নিজের নাম তুলেছেন গিনিস বুকে। থাইল্যান্ডের নীললানি পশু খামারে ২০২১ সালের ১ এপ্রিল জন্ম হয় কিংকংয়ের। সেই সময় থেকে অনান্য মোষ শাবকদের তুলনায় আকারে অনেকটা বড় ছিল কিংকং। সেই কারণেই খামারের মালিক নাম রাখেন কিংকং।
কিংকংয়ের যত্ন আত্তিতে কোনও ত্রুটি রাখেননি পালক। তিনি জানান, প্রতিদিন কিংকংয়ের জন্য ৩৫ কিলোগ্রাম খাবার প্রয়োজন হয়। খড়ের সঙ্গে ভুট্টা, কলা খেতে খুব ভালবাসে কিংকং। অতিকায় চেহারা হলেও বেশ শান্ত স্বভাবের কিংকং। বাধ্যও বটে। খামারের মালিক জানান, অনান্য মোষদের সঙ্গে যেমন ছুটোছুটি খেলাধুলো করে, তেমনই মালিকের কথাও শোনে। এমনকি মানুষের সঙ্গে থাকতে, সময় কাটাতে, খেলতে বেশ পছন্দ করে কিংকং।