
ইসলামাবাদ: কারও হাতে ল্যাপটপ। কারও হাতে ডেস্কটপ, মনিটর। হুড়মুড় করে একটি কলসেন্টার থেকে বেরিয়ে আসছেন সবাই। কিন্তু, কেন? ওই কলসেন্টার থেকে ল্যাপটপ, মনিটর বিলি করে দেওয়া হচ্ছে? একদমই না। আসলে ওই কলসেন্টারটি ভুয়ো জানতে পারার পরই সেখানে ঢুকে স্থানীয় বাসিন্দারা ল্যাপটপ, মনিটর লুঠ করতে শুরু করেন। ঘটনাটি পাকিস্তানের ইসলামাবাদের।
ইসলামাবাদের সেক্টর-১১’এ অবস্থিত কলসেন্টারটি। অভিযোগ, ওই কল সেন্টার থেকে প্রতারণার ফাঁদ পাতা হত। চিনের নাগরিকরা ওই কল সেন্টার চালাতেন। কলসেন্টারটি অবৈধভাবে চালানো হত বলে অভিযোগ। পাকিস্তানের ফেডারেল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি(FIA) ওই কলসেন্টারে হানা দেয়।
এই খবর ছড়িয়ে পড়তেই স্থানীয় মানুষজন ওই কলসেন্টারের সামনে ভিড় করেন। এফআইএ আধিকারিকরা ওই কলসেন্টারে ঢোকার পর স্থানীয় মানুষজনও হুড়মুড় করে ঢুকে পড়েন। তারপরই জিনিসপত্র লুঠ শুরু হয়। সেই লুঠের ভিডিয়ো সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেছেন একজন। যেখানে দেখা যাচ্ছে, কলসেন্টার থেকে ল্যাপটপ, মনিটর, ডেস্কটপ নিয়ে কলসেন্টার থেকে বেরিয়ে আসছেন সবাই। কী বোর্ডও ফেলে আসেনি। এমনকি, কেউ কেউ ওই কলসেন্টারের ফার্নিচারও নিয়ে যান। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভিডিয়োটি ভাইরাল হয়েছে। পাকিস্তানে এমন লুঠের ঘটনা নতুন নয় বলেও অনেকে বলছেন। গত বছরের সেপ্টেম্বরে সদ্য চালু হওয়া একটি মলে কয়েকশো মানুষ ঢুকে পোশাক লুঠ করে পালিয়েছিল।
এদিকে, পুলিশ জানিয়েছে, ভুয়ো ওই কলসেন্টারে হানা দিয়ে ২৪ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তার মধ্যে কয়েকজন বিদেশি নাগরিকও রয়েছেন। তল্লাশির সময় কয়েকজন পালিয়েও যান বলে পুলিশ জানিয়েছে।
গত বছরের অগস্টে বাংলাদেশে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনে লুঠের ছবি প্রকাশ্যে এসেছিল। প্রধানমন্ত্রী পদে ইস্তফা দিয়ে শেখ হাসিনা বাংলাদেশ ছাড়ার পর শয়ে শয়ে মানুষ প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন ‘গণভবন’-এ ঢুকে পড়েছিলেন। যে যেমনভাবে পারে, জিনিসপত্র লুঠ করেছিলেন। কেউ শাড়ি নিয়ে গিয়েছিলেন। কেউ টিভি নিয়ে যান। ছাগল, হাঁস-ও নিয়ে যেতে দেখা যায়।
গত বছরের অগস্টে গণভবনে লুঠের ছবি