
ওয়াশিংটন: ‘মিশিগান, উই ডিড ইট’। ফল প্রকাশের পর জনতার উদ্দেশে বললেন মিশরের অভিবাসী পরিবারের সন্তান আব্দুল এল-সায়েদ। আমেরিকার বুকে ইতিহাস তৈরি করে তিনি বলেন, “আমি গর্বিত।” পেশায় চিকিৎসক এই রাজনীতিকই হতে চলেছেন আমেরিকার প্রথম মুসলিম সেনেটর। আমেরিকার মধ্যবর্তী নির্বাচনে যখন দিকে দিকে নীল রং দেখা যাচ্ছে, জায়গায় জায়গায় মুখ থুবড়ে পড়ছে ডোনাল্ড ট্রাম্পের ‘রিপাবলিকান’, তারই মধ্যে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ এই মিশিগানের ডেমোক্র্যাটিক প্রার্থীর জয়।
জয়ের পর সমর্থকদের উদ্দেশে ভাষণ দিতে গিয়ে তিনি বলেছেন, “আপনারা সবচেয়ে অপ্রত্যাশিত একজন প্রার্থীর উপর বাজি ধরেছিলেন। সমর্থনের জন্য ধন্যবাদ।” প্রচারের সময় আব্দুল এল-সায়েদের মুসলিম ধর্মবিশ্বাস নিয়েও কথা বলতে ছাড়েননি বিপক্ষের প্রার্থী। এদিন তিনি উল্লেখ করেন, সবচেয়ে কুৎসিতভাবে প্রচার করা হয়েছিল তাঁর বিরুদ্ধে। তাঁর নাম, তাঁর বিশ্বাস নিয়েও কথা বলেছিলেন বিরোধীরা।
এল-সায়েদের বিপক্ষে লড়েছেন রিপাবলিকান প্রার্থী মাইক রজার্স। ফল প্রকাশের আগে এই রজার্স তাঁর সমর্থকদের বলেছিলেন, “বাড়ি গিয়ে ঘুমিয়ে পড়ুন। যখন জেগে উঠবেন, তখন দেখবেন আপনি বিজয়ী।” কিন্তু রজার্সের সেই স্বপ্ন সত্যি হয়নি।
আব্দুল এল-সায়েদের এই জয় শুধু রাজনৈতিক সাফল্য নয়, আমেরিকার রাজনীতিতে মুসলিম প্রতিনিধিত্বের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। পেশায় চিকিৎসক আব্দুল জনস্বাস্থ্য আধিকারিক হিসেবেও কাজ করেছেন। উল্লেখ্য, ২০২৪-এর প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে এই মিশিগান থেকে অল্প ব্যবধানে জয় পেয়েছিল ট্রাম্পের দল।