
নয়াদিল্লি: পাকিস্তানকে সামরিক ভাবে শক্তিশালী করে তুলতে আসরে চিন। আগামী দু’বছরের মধ্যে ইসলামাবাদকে ৪০টি ফাইটার জেট পাঠাতে পারে বেজিং। তবে এই চুক্তিতে এখনও পাকাপাকিভাবে সিলমোহর পড়েনি বললেই চলে। সম্প্রতি ইউনূূস-শাহবাজ বৈঠকের পরেই প্রকাশ্যে এই খবর। ঘুরপথে ভারতকে হুঁশিয়ারি দিল কি বাংলাদেশ?
ঘটনাটা ঠিক কী?
চিনের থেকে ৪০টি অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান কিনতে আগ্রহী পাকিস্তান। ইতিমধ্যে, সেই চুক্তিপত্রে সিলমোহর দিয়েছে পাকিস্তানি বায়ুসেনা। তবে চিন তার অত্যাধুনিক জে ৩৫এ ফাইটার জেট বিক্রি করতে চায় কি না সেই নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানায়নি বলেই খবর।
চিনের ‘ঈগল’ পাকিস্তানের আকাশে?
জানা যায়, চিনা প্রযুক্তিতে তৈরি J 35A যুদ্ধবিমান আদতেই অত্যন্ত শক্তিশালী। যা পাকিস্তানের হাতে এলে তাদের বায়ুসেনাকে অতিরিক্ত ক্ষমতা জোগাবে বলেই মত ওয়াকিবহাল মহলের। আমেরিকার পর গোটা বিশ্বে একমাত্র চিনের কাছেই পঞ্চম প্রজন্মের এই ফাইটার জেটগুলি রয়েছে বলেই খবর।
চিনা ‘ঈগলের’ বৈশিষ্ট্য জানেন?
জানা যায়, বিশ্বে শক্তিশালী ফাইটার জেটগুলির মধ্যে অন্যতম এই J-35A। দু’টি ইঞ্জিন-সহ, সুপারসনিক ক্ষমতা সম্পন্ন এই বিমানের কাছে স্থল-জল সবই এক। যে কোনও পরিস্থিতিতেই নিজের শত্রুদের শেষ করে নিমিষে ফিরে আসতে জানে এই যুদ্ধবিমান।
তবে চিনের সঙ্গে পাকিস্তানের এই চুক্তি একবার পাকাপাকি হয়ে গেলে শঙ্কা ভারতের, এমনটাই ধারণা ওয়াকিবহাল মহল। সদ্য বাংলাদেশে পালাবদলের পর থেকে আকারে ইঙ্গিতে ভারত বিরোধি হুঙ্কার তুলেছে পদ্মা পাড়ের রাজ্য। বাড়ছে সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপ ও অনুপ্রবেশ।
সম্প্রতি ডি-৮ সামিটে যোগ দিতে মিশরে গিয়েছিলেন বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মহম্মদ ইউনূস। সেখানেই পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের সঙ্গে দেখা করেন তিনি। চলে বৈঠকও। আর তারপরেই উঠে এল এই খবর। যা ভারতের জন্য শঙ্কার বলেই মনে করছে আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদের একাংশ।