
ইসলামাবাদ: বিরাট স্বস্তি ইমরান খানের। পাকিস্তানের সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দিল প্রাক্তন পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানকে বেসরকারি হাসপাতালে স্থানান্তরিত করার। ইমরান খানের স্বাস্থ্য নিয়ে অনেক দিন ধরেই উদ্বেগ-সংশয় তৈরি হয়েছে। একাধিকবার ইমরান খান বেঁচে রয়েছে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। সম্প্রতিও এমনই এক জল্পনা শোনা যায়। এর মাঝেই পাকিস্তান সরকারকে বড় নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের।
পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ পার্টি ও ইমরান খানের পরিবার সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল পাকিস্তান ক্রিকেট টিমের প্রাক্তন অধিনায়ক তথা প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের স্বাস্থ্য নিয়ে। আজ, মঙ্গলবার পাকিস্তানের সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দেয় যে অবিলম্বে যেন ইমরান খানকে ইসলামাবাদের বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়।
বিগত তিন বছর ধরে জেলবন্দি রয়েছেন ইমরান খান। একাধিকবার তাঁর স্বাস্থ্য ঘিরে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। সম্প্রতি এক পাকিস্তানি সাংবাদিক দাবি করেন যে ইমরান খান হয়তো বেঁচে নেই। জেলেই মৃত্যু হয়েছে তাঁর। যদিও পরে তিনি সেই দাবি থেকে সরে আসেন।
এ দিন সুপ্রিম কোর্টে যখন শুনানি চলছিল, তখন সরকার আপত্তি জানায়। তবে শীর্ষ আদালত সেই আপত্তি খারিজ করে দিয়ে নির্দেশ দেয় যে আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে বেসরকারি হাসপাতালে স্থানান্তরিত করতে হবে। আগামী ১৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত হাসপাতালেই রাখতে হবে ইমরান খানকে। তাঁর স্বাস্থ্যের অবস্থা কী, তার জন্য আলাদাভাবে মেডিক্যাল বোর্ড তৈরি করা হবে। এই মেডিক্যাল বোর্ডে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত চিকিৎসক ও তাঁর বোন ডঃ আলিমা খান থাকবেন।
২০২৩ সালের অগস্ট মাসে তোষাখানা দুর্নীতি সহ একাধিক দুর্নীতি মামলায় জেলে পাঠানো হয় ইমরান খানকে। ইমরানের আইনজীবীদের দাবি, জেলে ইমরান খানের কোনও চিকিৎসা হচ্ছে না। তাঁর ডান চোখের দৃষ্টিশক্তি নষ্ট হয়ে গিয়েছে।