
ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভে সাম্প্রতিক সময়ের অন্যতম বড় ড্রোন ও মিসাইল হামলা চালাল রাশিয়া। কয়েক ঘন্টা ধরে চলা এই আকস্মিক ও বিধ্বংসী হামলায় অন্তত চারজন সাধারণ নাগরিক প্রাণ হারিয়েছেন বলে জানিয়েছে সেদেশের স্থানীয় প্রশাসন। (Credit - Getty Images)

এই হামলায় মস্কো তাদের অত্যন্ত আধুনিক ও পারমাণবিক ক্ষমতা সম্পন্ন ব্যালিস্টিক মিসাইল 'ওরেসনিক' ব্যবহার করেছে। রাশিয়ার দাবি, এই ক্ষেপণাস্ত্র মাঝপথে ধ্বংস করা অসম্ভব এবং এর আগে তারা এটি মাত্র তিনবার যুদ্ধক্ষেত্রে ব্যবহার করেছে। (Credit - Getty Images)

এএফপি জানিয়েছে, মাঝারি সাইজের ওরেসনিক মিসাইলটি কিয়েভের নিকটবর্তী 'বিল তরসিকভা' শহরের একটি গোপন জায়গায় আঘাত হানে। পুতিনের পূর্বঘোষিত সামরিক প্রতিশোধের অংশ হিসেবেই মূলত এই ভয়াবহ হামলাটি চালানো হয়। (Credit - Getty Images)

ওরেসনিক মিসাইলটি শব্দের চেয়ে ১০ গুণ গতিতে ৩০০০ থেকে ৫০০০ কিমি দূরের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে পারে। বিশেষজ্ঞের মতে, এটি হাইপারসনিক মিসাইলের মতো দিক বদলাতে পারেনা। (Credit - Getty Images)

২০২৪ সালে পুতিন দাবি করেছিলেন, ওরেসনিক তেজস্ক্রিয় দূষণ ছড়ায় না কারণ এতে পারমাণবিক ওয়ারহেড থাকে না। তবে সামরিক বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, এই মিসাইলে প্রয়োজন অনুযায়ী যেকোনও সময় ওয়ারহেড যুক্ত করার ক্ষমতা আছে। (Credit - Getty Images)

রুশ প্রেসিডেন্ট পুতিন এই মিসাইলের কার্যক্ষমতা নিয়ে অত্যন্ত আত্মবিশ্বাসী। তাঁর দাবি, এই আক্রমণের ফলে যেকোনও লক্ষ্যবস্তু ধ্বংস হয়ে যাবে এবং এই মিসাইল মাটির বহু নিচে থাকা কোনও সুরক্ষিত লক্ষ্যবস্তুকেও বিনাশ করতে সক্ষম। (Credit - Getty Images)

রবিবার ভোররাতে কিয়েভজুড়ে মেট্রো স্টেশনে একের পর এক হামলার ফলে আতঙ্ক ছড়ায় কিয়েভে। মেট্রো স্টেশনের ভিতরে আশ্রয় নেওয়া সাধারণ মানুষ জানিয়েছেন, পরপর বিস্ফোরণে একের পর এক চাঙড় খসে পড়ে যা শিশু ও সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করে। (Credit - Getty Images)

রাশিয়ার ছোঁড়া ৬০০টি ড্রোন ও ৯০টি মিসাইলের মধ্যে ইউক্রেনীয় বাহিনী ৫৪৯টি ড্রোন ও ৫৫টি মিসাইল ধ্বংস করেছে। বাকিগুলোর আঘাতে কিয়েভের বহু ঘরবাড়ি, শপিং মল, স্কুল ও বিশ্ববিদ্যালয় মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। (Credit - Getty Images)