Kafala System: কাফালা রদ করল সৌদি, নতুন নীতিতে স্বস্তির আকাশ গ্রামবাংলাতেও

Kafala System Abolished: এই কাফালা ব্য়বস্থা, পক্ষান্তরে পরিযায়ী শ্রমিকদের উপরেই অনেকাংশে নির্ভর করে রয়েছে সৌদি আরবের কর্মক্ষমতা। সেদেশের মোট জনসংখ্যার ৪২ শতাংশ মানুষ পরিযায়ী শ্রমিক। যারা কাজের খোঁজে বিভিন্ন দেশ থেকে সেখানে পৌঁছেছেন।

|

Oct 27, 2025 | 12:18 AM

নয়াদিল্লি: দাদা দীর্ঘ সময় ধরে আরবে থাকেন, ওখানেই কাজ করেন। অভিজাত এলাকায় এই কথা খুব একটা শোনা যায় না ঠিকই। কিন্তু মধ্যবিত্ত বা নিম্নবিত্ত কোনও পাড়ায় গেলে, এই কথা খুব প্রাসঙ্গিক। কয়েক দশক ধরে ভারত, পাকিস্তান ও বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশ থেকে নিম্নমধ্যবিত্ত ও দরিদ্র শ্রেণির যুবকরা কাজের সন্ধানে ছুটে যান আরব দুনিয়ায়। সেখানে থাকেন, কাজ করেন। বছর পাঁচেক কাটিয়ে ফিরে আসেন। কিন্তু এই ফিরে আসাটা আবার সবার ভাগ্য়ে জোটে না। কেউ কেউ থাকেন হাজার অনিচ্ছা নিয়ে। আধুনিক সমাজের ‘ক্রীতদাসে’ পরিণত হন তাঁরা। আরব দুনিয়ায় যাকে বলা হয় কাফালা প্রথা। তবে সেই বর্বরতাই এবার বন্ধ করল সৌদি আরব।

কী এই ‘কাফালা’ ব্য়বস্থা?

‘কাফালা’ একটি আরবি শব্দ, যার অর্থ পৃষ্ঠপোষকতা বা স্পনসরশিপ। পশ্চিম এশিয়া বা মধ্য প্রাচ্য যখন তেলের অর্থে ফুলেফেঁপে উঠতে শুরু করল, সেই সময় বিভিন্ন দেশ থেকে সস্তায় শ্রমিক আনতে শুরু করে আরব দুনিয়ার একটা মধ্যস্থতাকারী গোষ্ঠী। যাদের বলা হয় কাফিল। এই কাফিলরা কাজ করতে পৃষ্ঠপোষক হিসাবে। আগত পরিযায়ী শ্রমিকের সমস্ত দায়িত্ব তাঁদেরই। ভিসা থেকে বাসস্থান, একেবারে ‘ফুল প্যাকেজ’ করে বিভিন্ন অনুন্নত ও উন্নয়নশীল দেশ থেকে শুরু হয় পরিযায়ী শ্রমিক আমদানি। এই গোটা ব্যবস্থাকেই বলা হত কাফালা ব্য়বস্থা। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সেই ব্য়বস্থার সঙ্গে জুড়ে যায় অত্য়াচার, শোষণের ঘটনা। পেটের টানে ভিন দেশে পাড়ি দিয়ে বিপাকে পড়তে হয় পরিযায়ী শ্রমিকদের। অভিযোগ ওঠে, সময় মতো খেতে না দেওয়ার, বাসস্থান কেড়ে নেওয়ার, পারিশ্রমিক না দেওয়ার। সর্বোপরি অভিযোগ ওঠে পাসপোর্ট কেড়ে নেওয়ারও। ফলত, চাইলেও সেই শ্রমিক আর বাড়ি ফিরতে পারেন না।

কাফালার উপর দাঁড়িয়ে সৌদি

বলে রাখা প্রয়োজন, এই কাফালা ব্য়বস্থা, পক্ষান্তরে পরিযায়ী শ্রমিকদের উপরেই অনেকাংশে নির্ভর করে রয়েছে সৌদি আরবের কর্মক্ষমতা। সেদেশের মোট জনসংখ্যার ৪২ শতাংশ মানুষ পরিযায়ী শ্রমিক। যারা কাজের খোঁজে বিভিন্ন দেশ থেকে সেখানে পৌঁছেছেন। আর আরবে পরিযায়ী পাঠানোর নিরিখে কার্যত শীর্ষে ভারত। এছাড়াও প্রথমসারিতেই রয়েছে পাকিস্তান, বাংলাদেশ, নেপালের নামও।

‘ক্রীতদাসপ্রথার’ অবসান

দীর্ঘদিন ধরেই কাফালা ব্যবস্থা নিয়ে উঠেছে নানা অভিযোগ উঠেছে। এটিকে নতুন যুগের ‘দাসপ্রথা’ বলেও দাগিয়েছেন কেউ কেউ। তবে এবার সেই কাফালা ব্যবস্থাকে আনুষ্ঠানিক ভাবে রদ করল সৌদি আরব। চাকরি দেওয়ার নামে বিদেশি শ্রমিকদের আর নানা নিয়মে বেঁধে ফেলা যাবে না। দিতে হবে স্বাধীনতা। পৃষ্ঠপোষক বা স্পনশর মাধ্যমে নয়, পরিযায়ীদের নিয়ে আসা হবে চুক্তি ভিত্তিতে। এমনকি, সময় মতো তাঁদের দেশে ফেরার অনুমতি থেকে চাকরির পরিবর্তনের সুযোগ, দিতে হবে সব রকমের মৌলিক অধিকার।

নয়াদিল্লি: দাদা দীর্ঘ সময় ধরে আরবে থাকেন, ওখানেই কাজ করেন। অভিজাত এলাকায় এই কথা খুব একটা শোনা যায় না ঠিকই। কিন্তু মধ্যবিত্ত বা নিম্নবিত্ত কোনও পাড়ায় গেলে, এই কথা খুব প্রাসঙ্গিক। কয়েক দশক ধরে ভারত, পাকিস্তান ও বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশ থেকে নিম্নমধ্যবিত্ত ও দরিদ্র শ্রেণির যুবকরা কাজের সন্ধানে ছুটে যান আরব দুনিয়ায়। সেখানে থাকেন, কাজ করেন। বছর পাঁচেক কাটিয়ে ফিরে আসেন। কিন্তু এই ফিরে আসাটা আবার সবার ভাগ্য়ে জোটে না। কেউ কেউ থাকেন হাজার অনিচ্ছা নিয়ে। আধুনিক সমাজের ‘ক্রীতদাসে’ পরিণত হন তাঁরা। আরব দুনিয়ায় যাকে বলা হয় কাফালা প্রথা। তবে সেই বর্বরতাই এবার বন্ধ করল সৌদি আরব।

কী এই ‘কাফালা’ ব্য়বস্থা?

‘কাফালা’ একটি আরবি শব্দ, যার অর্থ পৃষ্ঠপোষকতা বা স্পনসরশিপ। পশ্চিম এশিয়া বা মধ্য প্রাচ্য যখন তেলের অর্থে ফুলেফেঁপে উঠতে শুরু করল, সেই সময় বিভিন্ন দেশ থেকে সস্তায় শ্রমিক আনতে শুরু করে আরব দুনিয়ার একটা মধ্যস্থতাকারী গোষ্ঠী। যাদের বলা হয় কাফিল। এই কাফিলরা কাজ করতে পৃষ্ঠপোষক হিসাবে। আগত পরিযায়ী শ্রমিকের সমস্ত দায়িত্ব তাঁদেরই। ভিসা থেকে বাসস্থান, একেবারে ‘ফুল প্যাকেজ’ করে বিভিন্ন অনুন্নত ও উন্নয়নশীল দেশ থেকে শুরু হয় পরিযায়ী শ্রমিক আমদানি। এই গোটা ব্যবস্থাকেই বলা হত কাফালা ব্য়বস্থা। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সেই ব্য়বস্থার সঙ্গে জুড়ে যায় অত্য়াচার, শোষণের ঘটনা। পেটের টানে ভিন দেশে পাড়ি দিয়ে বিপাকে পড়তে হয় পরিযায়ী শ্রমিকদের। অভিযোগ ওঠে, সময় মতো খেতে না দেওয়ার, বাসস্থান কেড়ে নেওয়ার, পারিশ্রমিক না দেওয়ার। সর্বোপরি অভিযোগ ওঠে পাসপোর্ট কেড়ে নেওয়ারও। ফলত, চাইলেও সেই শ্রমিক আর বাড়ি ফিরতে পারেন না।

কাফালার উপর দাঁড়িয়ে সৌদি

বলে রাখা প্রয়োজন, এই কাফালা ব্য়বস্থা, পক্ষান্তরে পরিযায়ী শ্রমিকদের উপরেই অনেকাংশে নির্ভর করে রয়েছে সৌদি আরবের কর্মক্ষমতা। সেদেশের মোট জনসংখ্যার ৪২ শতাংশ মানুষ পরিযায়ী শ্রমিক। যারা কাজের খোঁজে বিভিন্ন দেশ থেকে সেখানে পৌঁছেছেন। আর আরবে পরিযায়ী পাঠানোর নিরিখে কার্যত শীর্ষে ভারত। এছাড়াও প্রথমসারিতেই রয়েছে পাকিস্তান, বাংলাদেশ, নেপালের নামও।

‘ক্রীতদাসপ্রথার’ অবসান

দীর্ঘদিন ধরেই কাফালা ব্যবস্থা নিয়ে উঠেছে নানা অভিযোগ উঠেছে। এটিকে নতুন যুগের ‘দাসপ্রথা’ বলেও দাগিয়েছেন কেউ কেউ। তবে এবার সেই কাফালা ব্যবস্থাকে আনুষ্ঠানিক ভাবে রদ করল সৌদি আরব। চাকরি দেওয়ার নামে বিদেশি শ্রমিকদের আর নানা নিয়মে বেঁধে ফেলা যাবে না। দিতে হবে স্বাধীনতা। পৃষ্ঠপোষক বা স্পনশর মাধ্যমে নয়, পরিযায়ীদের নিয়ে আসা হবে চুক্তি ভিত্তিতে। এমনকি, সময় মতো তাঁদের দেশে ফেরার অনুমতি থেকে চাকরির পরিবর্তনের সুযোগ, দিতে হবে সব রকমের মৌলিক অধিকার।

Follow Us