Strait of Hormuz: কখন কী হয়, কেউ বলতে পারছে না! ১০৭ দিন ধরে হরমুজ প্রণালীতেই আটকে ৫৬২ ভারতীয় নাবিক, কী অবস্থা তাদের?

Indian Sailors Stranded Near Strait of Hormuz: জানা গিয়েছে, এমটি সেলেস্টিয়াল নামক ওই জাহাজটি বর্তমানে ওমানের দুকম বন্দরে নোঙর করে রয়েছে। ভারতীয় দূতাবাস ক্রমাগত ওই জাহাজের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে। মৃত ভারতীয় নাগরিকের দেহ যাতে দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনা হয়, সেই প্রচেষ্টা করা হচ্ছে। 

Strait of Hormuz: কখন কী হয়, কেউ বলতে পারছে না! ১০৭ দিন ধরে হরমুজ প্রণালীতেই আটকে ৫৬২ ভারতীয় নাবিক, কী অবস্থা তাদের?
হরমুজ প্রণালীতে আটকে জাহাজ।Image Credit source: Hwawon Ceci Lee/Anadolu via Getty Images

|

Jun 14, 2026 | 5:20 PM

নয়া দিল্লি: ইরান-আমেরিকার শান্তি চুক্তি হবে কি না, কেউ জানে না। যুদ্ধ না থামায়, হরমুজ প্রণালীও খুলছে না। সঙ্কট বাড়ছে আরও। এই অনিশ্চয়তার মধ্যেই আটকে ভারতীয় নাবিকরা। ভয়-অনিশ্চয়তার পরিবেশ হরমুজ প্রণালীতে, সেখানেই আটকে রয়েছে ১৩টি ভারতীয় জাহাজ। ওই জাহাজে রয়েছেন ৫৬২ জন ভারতীয় নাবিক। জানা গিয়েছে, বিগত ১০৭ দিন ধরে হরমুজ প্রণালীতে আটকে রয়েছেন তারা।

রবিবার ওমানের মাসকটে ভারতীয় দূতাবাসের তরফে বিবৃতি দিয়ে জানানো হয়, হরমুজ প্রণালীতে আটকে থাকা জাহাজগুলির মধ্যে একটি জাহাজে নিশান্ত উরথানাথন নামক এক নাগরিকের মৃত্যু হয়েছে অসুস্থতার কারণে। তাঁর দেহ শীঘ্রই ভারতে ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা করা হচ্ছে।

জানা গিয়েছে, এমটি সেলেস্টিয়াল নামক ওই জাহাজটি বর্তমানে ওমানের দুকম বন্দরে নোঙর করে রয়েছে। ভারতীয় দূতাবাস ক্রমাগত ওই জাহাজের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে। মৃত ভারতীয় নাগরিকের দেহ যাতে দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনা হয়, সেই প্রচেষ্টা করা হচ্ছে।

কেন্দ্রীয় জাহাজ মন্ত্রক সূত্রে জানা গিয়েছে, হরমুজ প্রণালীতে অন্তত ১৩টি ভারতীয় পতাকা যুক্ত জাহাজ আটকে রয়েছে। এর মধ্যে মোট ৫৬২ জন নাবিক রয়েছেন। হরমুজ প্রণালীর পশ্চিমে ৩২৯ জন নাবিক আটকে রয়েছেন, হরমুজের পূর্বে, ওমান উপকূলে ২৩৩ জন নাবিক আটকে রয়েছেন।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান-আমেরিকার মধ্যে সংঘাত শুরু হয়েছিল। সেই সময় থেকেই হরমুজ প্রণালীতে আটকে রয়েছে বিভিন্ন দেশের জাহাজ, কারণ এই রুট দিয়েই বিশ্বের তেল ও জ্বালানির চাহিদার ৮০ শতাংশ সরবরাহ হয়। রবিবার ভারতীয় পতাকা যুক্ত জাহাজ, বিরাট ১-এ হামলা হয়। ১৪ জন ভারতীয় নাবিক ছিলেন ওই জাহাজে। তাদের খোঁজে তল্লাশি অভিযান শুরু করেছে ওমান কর্তৃপক্ষ।

Follow Us