
ইসলামাবাদ: শনিবার ভর দুপুরে কেঁপে উঠল পাকিস্তান। রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ছিল ৫.৩। ভূপৃষ্ঠের দশ কিলোমিটার নীচে এই কম্পনের উৎস, জানাচ্ছে সে দেশের ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজি। তাদের আরও দাবি, এই ‘কাঁপুনির’ মূল কেন্দ্র ছিল পাকিস্তানের পঞ্জাব প্রদেশের এটক এলাকা। সেখান থেকেই ছড়িয়ে পড়ে কম্পনটি। প্রভাব পড়ে পার্শ্ববর্তী চাকওয়াল, মিলানওয়ালি জেলাতেও। কম্পনের প্রভাব পড়েছে খাইবার পাখতুনেও।
অবশ্য, পড়শি দেশের অন্দরে হওয়া এই ‘কাঁপুনি’ থেকে রেহাই পায়নি ভারতও। এদিন দুপুরে পাকিস্তানের সঙ্গে প্রায় ক্ষণিকের ব্যবধানে কেঁপে উঠেছে জম্মু-কাশ্মীরের শ্রীনগর এলাকা। সংবাদ সংস্থা পিটিআই সূত্রে জানা গিয়েছে, শনির দুপুরে ভালই কেঁপেছে উপত্যকা। জম্মুর শ্রীনগর, সোপিয়ান-সহ একাধিক এলাকায় ভূকম্পের প্রভাব দেখা গিয়েছে। কম্পন অনুভূত হয়েছে কাশ্মীরের বেশ কিছু এলাকাতেও।
উল্লেখ্য, এই নিয়ে বেশ কয়েক বার তীব্র ভূ-কম্পনের শিকার এশিয়া মহাদেশের একাধিক দেশ। প্রথমে বাংলাদেশ চত্বর, তার প্রভাব পড়ল কলকাতায়। তারপর নেপাল। সেটা পেরিয়ে আবার মায়ানমারে তীব্র কম্পন। যার জেরে হওয়া ক্ষতি থেকে এখনও ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি সে দেশের মানুষজন। সেই রেশ কাটার আগেই এবার ‘পা নড়ল’ পাকিস্তানে। যার প্রভাব পড়ল কাশ্মীরেও। ইতিমধ্যে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে একাধিক ভিডিয়ো ভাইরাল হয়েছে সমাজমাধ্য়মে। কম্পনের কারণে দেশের বিস্তীর্ণ এলাকায় ছড়িয়েছে উত্তেজনা।