Donald Trump: ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে না জিততে পারাই কি কাল হল ট্রাম্পের? পাল্টি খেলেন ভান্সও?

Trump Republican Party Rift: ২০২৮ সালে ট্রাম্পের জায়গায় তিনিই রিপাবলিকানদের প্রেসিডেন্ট প্রার্থী। এই আশায় বুক বেঁধে ছিলেন ভান্স। মধ্যবর্তী নির্বাচনের ফলাফল সেই আশায় বালতি বালতি জল ঢেলে দিয়েছে। এখন ভান্স পরের বার আর টিকিট পাবেন কি না, তা নিয়ে বাজি ধরা চলছে। ভান্স তাই হতাশ।

Donald Trump: ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে না জিততে পারাই কি কাল হল ট্রাম্পের? পাল্টি খেলেন ভান্সও?
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পImage Credit source: PTI

Nov 06, 2026 | 9:08 PM

ওয়াশিংটন: আমেরিকায় মধ্যবর্তী নির্বাচনে ডোনাল্ড ট্রাম্পের রিপাবলিকান পার্টির বিপর্যয়। আর ভোটের ফলাফল বেরতে না বেরতেই ঝগড়া-দোষারোপ আর কাদা ছোড়াছুড়ি। রিপাবলিকান শিবিরে এখন কার্যত দু-ভাগ। একদিকে স্বয়ং ট্রাম্প এবং তাঁর অনুগতরা। অন্যদিকে ডোনাল্ড ট্রাম্পের সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভান্স। ভান্সের পাশে দাঁড়িয়ে গিয়েছেন বেশ কয়েকজন শীর্ষ রিপাবলিকান নেতা। ভোটের ফলাফল প্রকাশের পর ভান্স সোশাল মিডিয়ায় যে পোস্ট করেছিলেন, তাতেই সেই আঁচ ছিল। হারের জন্য সরাসরি ইরান যুদ্ধের দিকে আঙুল তোলেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডন্ট। যদিও ভান্স যে ইরান যুদ্ধের বিরোধী, সেটা একবারের জন্যও শোনা যায়নি এতদিন। সবসময় প্রেসিডেন্টকে নিঃশর্ত সমর্থন করে এসেছেন। মিড-টার্মে দল ধাক্কা খেতেই তাঁর মুখে নতুন কথা।

২০২৮ সালে ট্রাম্পের জায়গায় তিনিই রিপাবলিকানদের প্রেসিডেন্ট প্রার্থী। এই আশায় বুক বেঁধে ছিলেন ভান্স। মধ্যবর্তী নির্বাচনের ফলাফল সেই আশায় বালতি বালতি জল ঢেলে দিয়েছে। এখন ভান্স পরের বার আর টিকিট পাবেন কি না, তা নিয়ে বাজি ধরা চলছে। ভান্স তাই হতাশ। সেটা লুকিয়ে রাখারও চেষ্টা করেননি। ভান্স যে এরকম একটা পোস্ট করবেন, সেটা সম্ভবত ট্রাম্প ভাবতে পারেননি।

ভান্সের পোস্টের পর প্রতিক্রিয়া নিতে ট্রাম্পকে ফোন করেন নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিনিধি। ট্রাম্প উত্তর দেন, তিনি এই নিয়ে কিছুই জানেন না। ওই সাংবাদিককে পোস্টের বিষয়বস্তু জানাতে বলেন। বৃহস্পতিবার সকালে বিদেশ সফরের আগে এনিয়ে প্রতিক্রিয়া দেওয়ার সময়ও ট্রাম্প একেবারেই চেনা মেজাজে ছিলেন না। ভান্সকে আক্রমণ করেননি। তবে ভাইস প্রেসিডেন্টের অভিযোগও মানতে চাননি। ট্রাম্পের দাবি, ইরান যুদ্ধ জরুরি ছিল। তাই আমেরিকা যুদ্ধে নেমেছে। প্রয়োজন হলে আবারও যুদ্ধে নামবে।

তবে বিষয়টা আর ট্রাম্প আর ভান্সে থেমে নেই। ৮ থেকে ১০ জন রিপাবলিকান শীর্ষনেতা বলে দিয়েছেন, ইরান যুদ্ধের দায় ট্রাম্পের। তাই হারের দায়ও প্রেসিডেন্টকেই নিতে হবে। বিশ্বজুড়ে আলোচনা শুরু হয়েছে, সত্যি কি যুদ্ধের জন্যই এরকমভাবে হারতে হল ট্রাম্পকে? গড় বলে পরিচিত জায়গাগুলোতেও যাচ্ছেতাই ফলাফল হল? বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যুদ্ধের জন্য ভোটে হার নয়। যুদ্ধটা জিততে না পারার জন্যই এই দশা। ভিয়েতনাম যুদ্ধের পর ইরানেই সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে আমেরিকা। ৮ মাসেও যুদ্ধটা শেষ করতে পারেনি আমেরিকা। এজন্যই ট্রাম্পের দলের এই দশা বলে মনে করছেন অনেকে।

Loading...
Unable to load recommendations.
Follow Us